পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কালিমা তাইয়্যেবা তে রিসালাতের ঘোষনা কি সহিহ হাদিসে নেই?

ছবি
Lecture : কালেমা তাইয়্যেবাহ নিয়ে মিথ্যাচার :- Masum Billah Sunny এখানে যে কয়েকটা Step এ পুরোটা lecture শেষ হবে দেখে নিন:- STEP1: তাদের মিথ্যাচারের ভয়াবহতা প্রমানসহ সেগুলোর বিবরন। STEP2: হযরত আদম (আ) এর দেখা কালিমা যা আরশের খুটিতে লেখা আছে- ""লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"" একে জাল অপপ্রচারের জবাব। STEP3: তাদের দাঁতভাঙা জবাবে অসংখ্য সহিহ হাদিস এর Reference সংগ্রহ করে দিলাম STEP4: তারপর কিছু হাদিস বর্ননা করে সবগুলোর জবাব কুরআন ও হাদিস থেকে দেয়া হল। দয়া করে post টি পুরোটা পড়বেন নয়তো আপনে অনেক মারাত্মক ভুল বুঝতে পারেন কারন post টি বিশাল বড়। বুঝার সুবিধার জন্য দাগ কেটে আলাদা করে দিলাম। আজ এই আবর্জনা গুলোকে সাফ করে দিব চিরদিনের জন্য এই post পড়ার পর কোন দিন কেউ আর তাদের ধোকায় পড়বেন না আশা করছি। →→→→→→→→→→→→→→→ ইদানিং বেশকিছু ওহাবী জামাতী ভন্ড আর দাওয়া group যারা মুলত peace tvর ভাইদের আরেক পরিচয়।অনেক দিন থেকেই লক্ষ করছি তারা বিভিন্ন website ,blog  ,facebook ,youtube এ কুরআন হ...

অমুসলিমদের প্রতি ইসলামের উদারতা

“হে মানবগোষ্ঠী! আমি তোমাদেরকে একজন পরুষ এবং একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি যেন তোমরা পরস্পরকে চিনতে পার। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে সেই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক মুত্তাকী।” (সূরা হুজরাতঃ১৩) দ্বীনের ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই (সূরা বাকারা, আয়াতঃ ২৫৬) আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ﴿ ﻟَّﺎ ﻳَﻨۡﻬَﻯٰﻜُﻢُ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻦِ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻟَﻢۡ ﻳُﻘَٰﺘِﻠُﻮﻛُﻢۡ ﻓِﻲ ﭐﻟﺪِّﻳﻦِ ﻭَﻟَﻢۡ ﻳُﺨۡﺮِﺟُﻮﻛُﻢ ﻣِّﻦ ﺩِﻳَٰﺮِﻛُﻢۡ ﺃَﻥ ﺗَﺒَﺮُّﻭﻫُﻢۡ ﻭَﺗُﻘۡﺴِﻄُﻮٓﺍْ ﺇِﻟَﻴۡﻬِﻢۡۚ ﺇِﻥَّ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﭐﻟۡﻤُﻘۡﺴِﻄِﻴﻦَ ٨ ﴾ [ ﺍﻟﻤﻤﺘﺤﻨﺔ : ٨ ] ‘আল্লাহ নিষেধ করেন না ওই লোকদের সঙ্গে সদাচার ও ইনসাফপূর্ণ ব্যবহার করতে যারা তোমাদের সঙ্গে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধ করে নি এবং তোমাদের আবাসভূমি হতে তোমাদের বের করে দেয় নি। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদের পছন্দ করেন। {সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত : ৮} إِنَّمَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ قَاتَلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَأَخْرَجُوكُم مِّن دِيَارِكُمْ وَظَاهَرُوا عَلَى إِخْرَاجِكُمْ أَن تَوَلَّوْهُمْ وَمَن يَتَوَلَّهُمْ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ অর্থাৎ”আল্লাহ কে...

ইমামের পিছনে মুকতাদী সূরা ফাতিহা পড়বে না

এই পুরো পোস্টের এর সার সংক্ষেপ : ১) আল-কুরআন ও তফসির থেকে প্রমান ২) সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমান ৩) সাহাবীগনের আমল ৪) তাবেয়ীগনের আমল ৫) পাঠ করা ফরজ এই বিষয়ে আহলে হাদিসের ব্যবহার করা হাদিসের উল্টাপাল্টা ব্যবহারের সঠিক ব্যাখ্যা কুরআন মাজীদ ও হাদীস শরীফ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, জামাআতের নামাযে মুকতাদী ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা বা অন্য কোন সূরা পড়বে না। অধিকাংশ সাহাবী ও তাবেঈনের মতও হলো সূরা ফাতিহা না পড়া। হযরত ইমাম আবু হানিফা রহ.,হযরত ইমাম মালেক রহ. ও হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. এই তিন জন ইমাম এ ব্যপারে একমত যে মুকতাদীর জন্য সুরা ফাতিহা পড়া জরুরী নয়। কিন্ত বর্তমান জমানায় মাযহাব বিরোধী তথাকথিত আহলে হাদীস সম্প্রদায়ের লোকেরা এ ব্যপারে খুব বাড়াবাড়ির শিকার। সর্ব সাধারণকে তারা এ বলে ধোকা দিচ্ছে যে, সুরা ফাতিহা না পড়লে কোন মুকতাদীর নামাযই হবে না। মুকতাদীর জন্য বিধান হলো সূরা ফাতিহা না পড়া এ সম্পর্কে দলীল প্রমাণ নিম্নে পেশ করা হল। ♦♦কুরআনের বক্তব্য:♦♦ ★ মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন মাজিদে ইরশাদ করেন, “আর যখন কোরআন পাঠ ...

মাযহাবের তাকলিদ বা অনুসরন :-

সকল মাযহাবই সঠিক পথের অনুসারী এবং মানুষকে সঠিকভাবে পথ প্রদর্শন করে গেছেন:- আল্লাহ তায়ালার কাছে ফুক্বাহাদের মর্যাদা আল্লাহ তায়ালা কতটা মর্যাদা দিয়েছেন ফুক্বাহায়ে কিরামকে, হাদীস কুরআনের বিভিন্ন বর্ণনা দেখলেই তা আমাদের বুঝে আসে। عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ হযরত আমর বিন আস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“যখন কোন বিশেষজ্ঞ হুকুম দেয়, আর তাতে সে ইজতিহাদ করে তারপর সেটা সঠিক হয়, তাহলে তার জন্য রয়েছে দু’টি সওয়াব। আর যদি ইজতিহাদ করে ভুল করে তাহলে তার জন্য রয়েছে একটি সওয়াব। {সহীহ বুখারী, হাদিস নং-৬৯১৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৩৫৭৬, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৫৮৪} আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন- وَلَكِنَّ الْمُنافِقِينَ لا يَفْقَهُونَ} [المنافقون:7] অর্থাৎ মুনাফিকরা ফক্বীহ হতে পারেনা। [সুরা মুনাফিকুন-৭] সুতরাং ফক্বীহ কখনো মুনাফিক হতে পারেনা। আর রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-একজন ফক্বীহ শয়তানের উপর একশত আবেদের চেয়ে’ ...

ইয়াজিদ, যিয়াদ ও কারবালা যুদ্ধের হিংস্র নরপশুদের করুন পরিনতি

ছবি
পাপাত্না ইয়াজিদের মন সর্বদাই এ ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার ভালোবাসায় মদমত্ত ছিলো। তাই সে দুনিয়ার লোভ লালসায় উন্মাদ হয়ে প্রভূত্ব,আধিপত্য,যশ-খ্যাতির ফাঁদে আটকা পড়েছিলো। সে নিজের করুন পরিণতির কথা ভুলে গিয়ে হযরত ইমাম হুসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) ও তাঁর সঙ্গীদের নির্দয়ভাবে শহীদ করে তাঁদের রক্ত দ্বারা নিজ হস্ত রন্ঞ্জিত করেছিলো। যে নেতৃত্ব ও আধিপাত্যের জন্য সে কারবালাতে জুলুম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের তান্ডবলীলা চালিয়েছিলো। সে নেতৃত্ব আধিপত্যও বেশি দিন তাঁর কাছে স্থায়ী ছিলোনা। বদ-নসীব ইয়াজিদ মাত্র তিন বৎসর ছয়মাস ক্ষমতার মসনদে বসে শাসনের নামে লাম্পট্য বদমাশি করে অবশেষে রবিউন নূর শরীফ, ৬৪ হিজরিতে শাম রাজ্যের হামস শহরে হুওয়ারিন অঞ্চলে ৩৯ বছর বয়সে সে অপমৃত্যুর মূখে পতিত হয়। [আল-কামেল ফিত তারিখ,খন্ড-৩য়, পৃষ্টা-৪৬৪] পাপাত্না ইয়াজিদের অপমৃত্যুর একটি কারণ ইহাও বলা হয়ে থাকে যে, সে একজন রোমান বংশোদ্ভূত যুবতী মহিলার প্রেমের ফাঁদে আটকা পড়েছিলো। কিন্তু সে মহিলা তাঁকে মনে-প্রাণে ঘৃণা করতো। একদিন আমোদ-প্রমোদের বাহানা করে সে মহিলা ইয়াজিদকে একাকী সুদূর এক মরুভূমিতে নিয়ে গেলো। সে মরুভূমির ঠান্ডা ...