পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নারী ও পুরুষের নামাজের মধ্যে পার্থক্য :-

০) * নারীর জন্য আযান-ইকামত নেই পুরুষের জন্য তা ওয়াজিব :- ★ পুরুষ :- সালাতের কার্যাদি শুরু করার প্রাথমিক ধাপ আযান দেওয়া । এ প্রসঙ্গে অসংখ্য হাদীস শরীফ বর্নিত হয়েছে । তন্মধ্যে দু-একটি উল্লেখ করছি । ইমাম বুখারী (রহঃ) বর্ননা করেন, নবী করিম (সঃ) বলেন যখন সালাতের সময় উপস্থিত হবে তখন তোমাদের একজন আযান দিবে এবং তোমাদের মাঝের বড়জন ইমামতি করবে । — সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬২৮ ইমাম আহমাদ (রহঃ) বর্ননা করেন- নবীজি (সঃ) বলেন কোন গ্রামে তিনজন থাকাকালে আযান ও জামা’আত অনুষ্ঠিত না হলে শয়তান তাঁদের উপর বিজয়ী হয় । — আহমদ ,হাদিস নং ২১৭১০, সকল ইমামের মতে হাদিসখানা গ্রহনযোগ্য । লা-মাযহাবীদের মান্যবর মুহাদ্দিস শুয়াইব আল আরনাউত এ হাদীসকে হাসান(উত্তম) বলেছেন ★ নারী :- ইমাম বায়হাকী (রহঃ) সহীহ্‌ সনদে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ননা করেন নবীজী (সঃ) বলেছেন মহিলাদের উপর আযান ও ইকামত কোনটিই নেই । — সুনানে কুবরা, হাদীস নং ১৯২০, কাজী শাওকানী হাদীসখানাকে সহিহ বলেছেন  নাইলুল আওতার ২/৩৯ আরো সহিহ হাদীসে রয়েছে মহিলাগন অষ্পষ্টভাষী ও আচ্ছাদিত থাকার বস্ত । সুতরাং তোমরা ...

অভিশপ্ত ইয়াজিদ (লানতুল্লাহ) সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানী :-

Related Topics :- কারবালার ক্রিমিনাল কুখ্যাত ইয়াজিদ ড. জাকির নায়েকের চোখে হিরো ! (Mega post) http://goo.gl/2aqwdm  কাফির ইয়াজিদ কি ন্যায়সঙ্গত উত্তরাধিকারী?  http://goo.gl/hyGvBy  ইয়াযীদ সম্পর্কে মহানবী(সাঃ) এর ভবিষ্যত বাণী :- # তৃতীয় শতাব্দীর এক বিখ্যাত মুহাদ্দীস ইমাম আবু ইয়া’আল(রঃ) তাঁর মুসনাদ(ভলি. ২, পেজ ৭১) সহীহ চেইনে উল্লেখ করেনঃ হযরত আবু উবায়দাহ বিন জারাহ(রাঃ) থেকে বর্ণীত, রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেছেন – “মুসলিম উম্মাহ এর যাবতীয় কাজ কারবারে ততক্ষণ পর্যন্ত ন্যায়পরায়ণতা পরিলক্ষিত হবে যখন বনি উম্যায়াহ গোত্রের এক জন এসে দ্বীনের মধ্যে ফাটল ধরাবে। তার নাম হবে ইয়াজিদ” হাদীসটির বর্ণনাকারীর সকলেই সৎ এবং নির্ভরযোগ্য। # আরেক বিখ্যাত মুহাদ্দীস ইমাম সাহাবুদ্দীন আহমেদ বিন হাজর হায়তামী(রঃ) তাঁর আস-সাবাক আল-মুহরিকা গ্রন্থের ১৩২ পৃঃ একই হাদীস উল্লেখ করেছেন। হযরত আবু দারদা(রাঃ) বলেছেন, “আমি শুনেছিলাম রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেছেন – আমার সুন্নাহকে পরিবর্তনকারী প্রথম ব্যক্তি হবে বনি উম্যায়াহ গোত্রের ইয়াজিদ”। # হাফিজ ইবন কাথীর(রঃ) একই হাদীস উল্লেখ করেছেন তাঁর সুবিখ্যাত আল-ব...

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালবাসার ফজিলত :-

★ রাসূলুল্লাহ (ﷺসা ) বলেন, إِنَّ اللَّهَ يَقُولُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَيْنَ الْمُتَحَابُّونَ بِجَلَالِي الْيَوْمَ أُظِلُّهُمْ فِي ظِلِّي يَوْمَ لَا ظِلَّ إِلَّا ظِلِّي ‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ বলবেন, আমার মহত্ত্বের নিমিত্তে পরস্পর ভালবাসার সম্পর্ক স্থাপনকারীরা কোথায় ? আজ আমি তাদেরকে আমার বিশেষ ছায়ায় ছায়া দান করব। আজ এমন দিন, যে দিন আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া নেই।’’ (মুসলিম, কিতাবুল বিররি ওয়াস-সিলাহ, হাদিস নং৪৬৫৫) ★ রাসূলুল্লাহ (সাﷺ) বলেন, إِنَّ أَحَبَّ الْأَعْمَالِ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ الْحُبُّ فِي اللَّهِ وَالْبُغْضُ فِي اللَّهِ ‘‘নিশ্চয় আল্লাহর নিকট শ্রেষ্ঠ আমল হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কাউকে ভালবাসা এবং শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কারো সাথে শত্রুতা রাখা।’’ (আহমদ, মুসনাদুল আনসার, হাদিস নং২০৩৪১) ★ রাসূলুল্লাহ (সাﷺ) ইরশাদ করেছেন যে, " إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ لَأُنَاسًا مَا هُمْ بِأَنْبِيَاءَ وَلَا شُهَدَاءَ يَغْبِطُهُمُ الْأَنْبِيَاءُ وَالشُّهَدَاءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِمَكَانِهِمْ مِنَ اللَّهِ تَعَالَى قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ تُخْبِرُنَا مَنْ هُ...

ইমাম তিরমিজি (রহঃ) এর সংখিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত :-

★ ইমাম তিরমিযি (রহ.)এর আসল নাম মুহাম্মদ, উপনাম আবু ঈসা, নিসবতি নাম তিরমিজি ও বুগি। আর বাবার নাম ছিল ঈসা ইবনে সুরাত। তাঁর উপাধি ছিল আল-ইমাম। তিনি বর্তমান উজবেকিস্তানের জিহুন নদীর বেলাভূমিতে অবস্থিত বিখ্যাত শহর তিরমিজের ‘বুগ’ নামক পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন ২০৯ হিজরি মোতাবেক ৮২৪ খ্রিস্টাব্দে। ★ ইমাম তিরমিজি (রহ.)-কে তাঁর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পর্ক করে তিরমিজি ও বুগি বলা হয়। ইমাম তিরমিজির পূর্বপুরুষরা ‘মুরাদ’ নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন। অতঃপর তাঁরা উজবেকিস্তানের তিরমিজ শহরে হিজরত করেন। তিরমিজ ছিল অসংখ্য মুহাদ্দিস ও বিজ্ঞ আলেমের জন্মস্থান। ইমাম তিরমিজি (রহ.) পারিবারিক পরিমণ্ডলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করেন। খুব অল্প বয়সেই ইমাম তিরমিজি (রহ.) প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ সম্পন্ন করে ইলমে হাদিসের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন দেশ সফর করেন। ★ ইলমে হাদিসে উচ্চতর জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ইমাম তিরমিজি (রহ.) খুব অল্প বয়সেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। তিনি হিজাজ, মিসর, বসরা, কুফা, শাম, খুরাসান, বাগদাদসহ বহু দেশ ও শহর ভ্রমণ করেন। তিনি তৎকালীন সব বিখ্যাত মুহাদ্দিসের কাছ থেকে হাদিস সংগ্রহ করেন এবং ইলমে হাদিসে গভীর জ্ঞান...

সহিহ হাদিসের আলোকে ঘুমের সুন্নাত আমলসমুহ :-

আসুন দেখি আমাদের আদর্শ আমাদের একমাত্র পথ প্রদর্শক নুরে মুজাসসাম রাহ্মাতাল্ললিল আলামিন হুযুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে সুন্নতি তরিকায় ঘুমাতেন। 1. ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে এই দোয়াটি পড়বেন, আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু আহইয়া অর্থাৎ হে আল্লাহ্! আপনার নামে মৃত্যুবরণ করছি এবং আপনার নামেই পুর্নজীবিত হই.বুখারী -6312। 2. ঘুম থেকে জেগে উঠে এই দোয়া পড়বেনঃ আলহামদুলিল্লাহি ললাজি আহইয়ানা বা’দামা আমাতানা ওয়া ইলাইহিননুশুর. অর্থাৎ সমস্ত প্রসংশা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন,আমরা পুর্নজীবিত হয়ে তার নিকটেই ফিরে যাবো. বুখারী -6312। 3. দুই হাতের তালু একত্রে করে এর মধ্যে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিনবার করে পাঠ করে ফু দিবে.পরে পুরো শরীর মুছে দিবেন, যতদুর সমভব(মাথা ও মুখ মনডল সহ) বুখারী -5017। 4. আয়াতুল কুরসী পাঠ করা.বুখারী -3275. ফজিলত -একজন ফিরেসতা নিয়োগ করে দেন। 5. ডান কাতে শুয়ে ও ডান হাত গালের নিচে দিয়ে নিচের দোয়াটি পড়বেন. আল্লাহুম্মা কিনি’ই আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবাদাকা অর্থাৎ হে আল্লাহ্! যেদিন আপনি আপনার বান্দাগণকে পুর্নজীবিত করবেন. সে দিনের(পরকালীন) আয...

৭ প্রকার লোকের দোষত্রুটি বর্ণনা করলে, তা গীবত হয় না।

৭ প্রকার লোকের দোষত্রুটি বর্ণনা করলে, তা গীবত হয় নাঃ হুজ্জাতুল ইসলাম ( ৩ লক্ষ হাদিসের হাফিজ) , মুজাদ্দিদে মিল্লাত, হাকিমুল হাদীস হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সুপ্রসিদ্ধ ‘কিমিয়ায়ে সাআদাত’ কিতাবে পবিত্র কুরআন সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক বর্ননা করেছেন – ৭ প্রকার ব্যক্তির দোষত্রুটি বর্ণনা করলে সেটা গীবত হয় না। নিচে এই সাত প্রকার গিবতের বর্ণনা করা হলওঃ- 1. এক নম্বরে বলা হয়েছে, কোনো লোক যদি কোনো কাজী সাহেবের কাছে যায় বিচারের জন্য, বিচারপ্রার্থী হয়ে ও বিচারের জন্য যদি সে সত্য কথা বলতে গিয়ে বিপরীতপক্ষের দোষত্রুটি বর্ণনা করে, তাহলে সেটা গীবত হবে না। 2. দুই নম্বরে বলা হয়েছে, সে যদি কোনো মুফতী সাহেবের কাছে যায় ফতোয়ার জন্য, তখন সে ফতোয়ার জন্য যেটা সত্য সেটাই বলবে, এতে তার গীবত হবে না। 3. তিন নম্বরে বলা হয়েছে, যারা রাজা-বাদশাহ, আমীর-ওমরাহ শাসক গোস্ঠি তাদের ইছলাহ বা সংশোধন করার জন্য দোষত্রুটিগুলি যদি ধরিয়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটা গীবত হবে না। 4. চার নম্বরে বলা হয়েছে, অহরহ পাপে লিপ্ত ফাসিকদের দোষত্রুটি বর্ণনা করলে, সেটা গীবত হয় না। ফাসিক বলা হয় যে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়া...

যিনা কি ? ইসলামে যিনার শাস্তি কি ?

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ “নারীদের পুরোটাই হচ্ছে “আওরাহ” বা সতর (শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক)। যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে চোখ তুলে দেখে। নারী ঘরের মধ্যে অবস্থানকালেই আল্লাহর বেশি নৈকট্য প্রাপ্ত থাকে।”(সুনানে আত-তিরমিজি ও ইবনে হিব্বান) এই যদি হয় রাসূল ﷺ বাণী তা হলেতো বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ মেয়েরা বের্পদা ভাবে চলা চল করে এবং কি খোলা মেলা চলা ফেরা করতে পছন্দ করে। এবার দেখি ইসলাম কি বলে যিনার ব্যাপারে। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, وَلاَ تَقْرَبُواْ الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاء سَبِيلاً অর্থ: “আর তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তীও হয়ো না। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পন্থা।” (পবিত্র সূরা বনী ইসরাঈল শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২) দুনিয়াতে তাদের জন্য কি শাস্তি- সে সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِئَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا...

দৃষ্টিকে সংযত রাখার ব্যাপারে :-

আল্লাহ্ সুবহানু ওয়া তা’লা ইরশাদ মুবারক করেন যে “মুমিন পুরুষদের বলঃ তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করে; এটাই তাদের জন্য উত্তম; তারা যা করে সে বিষয়ে আল্লাহ্‌ অবহিত।” (পবিত্র সুরাহ আন-নূর শরিফ, আয়াত শরিফ ৩০) ব্যাখ্যাঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা নির্দেশ দিচ্ছেন যেগুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত করা হারাম করেছি ওগুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত করোনা। হারাম জিনিস হতে চক্ষু নীচু করে নাও। যদি আকস্মিক ভাবে পড়েই যায় তবে দৃষ্টি ফিরিয়ে নাও। হযরত জারীর ইবনে আবদিল্লাহ বাজালী (রা) হতে বর্ণীত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে হঠাত দৃষ্টি পড়ে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “সাথে সাথেই দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবে” [এই হাদীসটি ইমাম মুসলিম (র) বর্ণনা করেছেন] হযরত বুরাইদা (রা) হতে বর্ণীত, রাসূল (সা) আলী (রা) কে বলেনঃ “হে আলী! দৃষ্টির উপর দৃষ্টি ফেলো না। হঠাত যে দৃষ্টি পড়ে ওটা তোমার জন্যে ক্ষমার্হ, কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি তোমার জন্যে ক্ষমার যোগ্য নয়। [এই হাদীসটি ইমাম আবূ দাঊদ (র) বর্ণনা করেছেন] হযরত আবূ উমামা (রা) হতে বর্ণীত, তিনি রাসূল (সা) কে বলতে শুনেছেন যে, তোমরা ছয়টি জিনিসের দায়িত্ব না...

তারাবির নামাজ ২০ রাকাত (পর্ব ১) :

ছবি
পবিত্র রমযান মাসে তারাবী’র নামায কতো রাকাত পড়তে হয়, তা নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে বর্তমানে। ড জাকির নায়েক এর ফতোয়া অনুযায়ী নামধারী আহলে হাদিস ফিরকা এই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাই মুসলমানদের ভালো করে জানা আবশ্যক যে বিগত ১৪’শ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ ন্যূনতম ২০ রাকাত তারাবী নামায পড়ে আসছেন (এমনকি হারামাইন শরীফাইনেও)। মুল আলোচনায় যা রয়েছে : পর্ব :- ১) আহলে হাদিস দের ৮ রাকাতের পক্ষে যেসব হাদিস দেয় সেগুলো ২) সেই হাদিস গুলোর ব্যখ্যা ও সমাধান (সংক্ষেপে) ৩) স্পষ্ট সহিহ হাদিসে ২০ রাকাত তারাবিহ নামাজের উল্লেখ আছে তা। ৪) আহলে হাদিসরা যেসব হাদিস পড়ে তারাবিহ ৮ রাকাত বলে সে সম্পর্কে আবার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।                          ★★★  প্রথম পর্ব : উত্তর: তারাবীহ নামাজ ২০ রাকআত। যারা বলে ৮ রাকাআত তাদের বক্তব্য সঠিক নয় । মুলত ধর্মপ্রান সাধারন মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে আহলে হাদীস বা লামাজহাবী সম্প্রদায় ৮ রাকাআত তারাবীহ এই মতামতের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে । * সংশয় নিরসন...

জান্নাতী মুমিনদেরকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র স্ত্রী ও হুরদের সাথে বিয়ে দেবেন।

জান্নাতীদেরকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র স্ত্রী ও হুরদের সাথে বিয়ে দেবেন মহান আল্লাহ বলেনঃ ﴿  مُتَّكِ‍ِٔينَ عَلَىٰ سُرُرٖ مَّصۡفُوفَةٖۖ وَزَوَّجۡنَٰهُم بِحُورٍ عِينٖ ٢٠ ﴾ [الطور: ٢٠] অর্থঃ ‘তারা সামনা-সামনিভাবে সাজানো সারি সারি আসনের উপর ঠেস দিয়ে বসে থাকবে এবং আমি তাদের সাথে সুনয়না হুরদের বিবাহ দেবো।’ (সূরা তুর: ২০) حور বহুবচনের শব্দ। একবচনে حوراء অর্থ অত্যন্ত সুশ্রী, অনিন্দ্য সুন্দর। عين শব্দটিও বহুবচন। একবচনে عيناء অর্থ ভাসা ভাসা ডাগর চক্ষুওয়ালা নারী। যাদেরকে বাংলা সাহিত্যের ভাষায় হরিণ নয়না বলা হয়। হুর সম্বন্ধে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মুফাচ্ছিরগণ দু’ভাগে ভাগ করেছেন, এক দলের মতেঃ সম্ভবত এরা হবে সেসব মেয়ে যারা বালেগা হওয়ার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছিলো এবং যাদের পিতা-মাতা জান্নাতে যাওয়ার যোগ্য হয় নি। সে সব মেয়েদেরকে ষোড়শী যুবতী করে হুরে রূপান্তর করা হবে। আর তারা চিরদিন নব্য যুবতীই থেকে যাবে। অন্যদের মতেঃ হুরগণ প্রকৃতপক্ষে স্ত্রী জাতি কিন্তু তাদের সৃষ্টি মানব সৃষ্টির চেয়ে আলাদা এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপন মহিমায় তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। অন্যত্র বলা হয়েছেঃ ﴿ فِيهِنَّ خَيۡرَ...

পুরুষদের টাকনোর নিচে কাপড় পরিধানের শাস্তি

ছবি
মুলকথা :- ১) টাকনোর নিচে কাপড় থাকলে সেই অংশটুকু জাহান্নামে যাবে। ২) আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের দিকে ফিরেও তাকাবেন না বা রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। ৩) এটা হল অহংকার। আর আল্লাহ অহংকার কারীকে পছন্দ করেন না। ৪) আল্লাহ এমন ব্যক্তির নামায গ্রহন করবেন না, যে তার লুঙ্গি-কাপড় ঝুলিয়ে দিয়ে নামায আদায় করে।নামায পড়ে ফেললে সেই নামায বাতিল পুনরায় ওযু করে নামায পড়তে হবে। ৫) নিয়ম হল হাটুর নিচে ও টাকনোর মধ্যবর্তী স্থানে পরা বা সমস্যা হলে টাকনোর উপরে কাপড় পরলেই হবে। এই ৫ টি কথা নিচের সকল হাদিসের মুলকথা :- জাবের ইবন সুলাইম রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেন, “টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পড়ার ব্যাপারে সাবধান হও। কারণ, তা অহংকারের অন-র্ভূক্ত। আর আল্লাহ অহংকার করাকে পছন্দ করেন না।” (আবু দাঊদ)। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত৷ তিনি বলেন, নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন; ইযারের বা পরিধেয় বস্ত্রের যে অংশ পায়ের গোড়ালির গিঁটের নীচে ...

কামেল পীর-আউলিয়ার কাছে বাইয়াতের বিধান

ছবি
★★★ প্রশ্ন : আমরা যাকে পীর মুরিদ করা বলে থাকি মানে হল বায়াত করা এবং হওয়া এর বিধান কি কোরআন হাদিসে কোথাও আছে? উত্তর : ★ হে রাসূল! যেসব লোক আপনার নিকট বাইয়াত হচ্ছিল, তারা আসলে আল্লাহর নিকটই বাইয়াত হচ্ছিল। তাদের হাতের উপর আল্লাহর কুদরতের হাত ছিল।হে রাসূল! আল্লাহ মুমিনদের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন যখন তারা গাছের নীচে আপনার নিকট বাইয়াত হচ্ছিল। (সূরা ফাতহ ঃ ১৮) ★ অপর আয়াতে আল্লাহ বাইয়াত বা প্রতিশুতি বদ্ধ হওয়ার পর তা রক্ষাকারী সম্পর্কে বলেন :- فَلْيُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللّهِ الَّذِينَ يَشْرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا بِالآخِرَةِ وَمَن يُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللّهِ فَيُقْتَلْ أَو يَغْلِبْ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا যে ব্যক্তি তার ওয়াদা (প্রতিশ্রুতি) পূর্ণ করবে এবং তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করবে, সে আল্লাহ পাকের প্রিয়জন হবে। আর নিশ্চিতভাবে আল্লাহ পাক মুত্তাকীদের ভালবাসেন। (সূরা আলে ইমরান ঃ ৭৬) ★ সহিহ হাদীসে আছে :- عَنْ اِبْنِ عُمَرَ (رض) عَنِ النَّبِيْ (صلعم) قَالَ مَنْ مَاتَ وَلَيْسَ فِيْ عُنُقِه بَيْعَ’ُ مَاتَ مَيْتَةً جَاهِلِيْةً ـ (مسلم ) হযরত আবদুল্লাহ ইব...