পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাদিসের ভুল ব্যাখ্যায় মাযার ভাংগার ভ্রান্ত ফতোয়ার বিশ্লেষণ :

ছবি
প্রায়ই এ সম্পর্কিত হাদিসগুলো ভুল জায়গায় ভুল ব্যাখ্যা সহ মানুষের কাছে প্রচার করা হয় এর সমাধান নিন : ক) হযরত আলী (আঃ) থেকে রেওয়ায়েত করেছেন : کانَ رَسُولُ اللهِ في جِنازَةٍ فَقالَ : أيُّکم يَنطَلق إلَي المَدينَةِ فَلا يَدَعُ بِها وَ ثَناً. إلاّ کَسَرَه. وَ لا قَبراً إلاّ سَوّاه. وَ لا صُورَة إلاّ لَطًخَها ؟ فَقالَ رَجُلُ : أنَا يا رَسُولَ اللهِ : فَانطَلَقَ فَهابَ أهابَ أهلَ المَدينَةِ . فَرَجَعَ فَقلَ عَليُّ: أنَا اَنطَلِقُ يا رَسُولَ الله؟ قالَ: فَانطَلِق. فَانطَلِق . فَانطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ فَقالَ: يا رَسُولَ اللهِ ! لَم اَدَع بِهَا وَ ثَنَاً إلا کَسَر تُهُوَ لا قَبراً ألاّ سَوَّ يتُه . وَ لا صُورَةً إلاّ لَطَختُها. হযরত আলী (কাঃ) বলেছেন ঃ রাসূল (সাঃ) একটি জানাযার দাফন অনুষ্ঠানে ছিলেন যে বলেন ! তোমাদের মধ্যে কে মদীনায় যাবে এবং সেখানে তাদের সমস্ত মূর্তিগুলোকে ধবংশ করবে এবং তাদের কবরগুলো পরিষ্কার এবং সমস্ত চেহারাগুলো (মূর্তিগুলো) ধবংশ করবে ?” এক ব্যক্তি বললেন ঃ আমি, “হে আল্লাহর রাসূল!” সে গেল এবং মদিনার মানুষকে ভয় পেয়ে ফিরে আসচলা। হযরত আলী (আঃ) বললেন ; হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমি...

রাসুলুল্লাহ (সা.) নুরে মুজাচ্ছাম - কুরআন ও হাদিসের আলোকে :-

ছবি
BISMILLAH HIR RAHMANIR RAHIM রাসুলুল্লাহ (সা.) নুরে মুজাচ্ছাম - হাদিসের আলোকে :- Written by (MASUM BILLAH SUNNY) FB ID :   https://goo.gl/0VsqCZ যারা বলে যে নবীজী(সা) আমাদের মত সাধারণ ও মাটির তৈরী এটা তাদের কুফরি আকিদার ই বহিপ্রকাশ কারণ :- ১ নং হল সে কুরআন ও হাদীস অমান্য করায় কুফরি করল ২নং হল হুজুর পাক (সা) এর সাথে বিয়াদ্দবি করায় কুফরি করল…. সুরা-আয়াত বাকারা -১০৪ সোয়াদ- ৭৭ আহযাব -৫৭ হুজুরাত -২,৩ তৌবাহ -৬১,৬৬ এই নুরের ওপমা হল যেমন :- আসমানের সুর্যের আলো। এই আলো যমিনে পতিত হলে যমিনের আলো ও সুর্যের আলো কিন্তু সুর্য না আবার এই আলো সুর্য থেকে খন্ড করা অংশ না (বরং এটা সুর্যের আলো) তদ্রোপ একটা মুমবাতি বা প্রদিপ থেকে হাজার বাতি বা নুর জালালে ও একটা আরেকটার অংশ না। ঠিক সেই রকমভাবে রাসুল(সাঃ) আল্লাহর নুরের তৈরি হয়েও নূর-এ- মুহাম্মাদি(সা) নূর এ খোদা’র অংশ না বা আল্লাহর নুরকে খান্ডাংশ করে নবিজি(সাঃ) এর সৃষ্টি করেছেন এই ভাবে ও বলা বা ধারনা করা শিরিক কারন আল্লাহর কোন অংশ নাই..শরিক নাই।এ কথা বললেই শিরিক,কুফরি,বাতিল ।আর এটা খুবই সুক্ষ ব্যাপার। - চতুর্দশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ মুজাদ্...

"আমি তখনো নবী ছিলাম যখন আদম (আ) দেহ এবং আত্মার (রুহের) মধ্যবর্তী ছিলেন।” এই হাদিসটির পর্যালোচনা :

ছবি
"আমি তখনো নবী ছিলাম যখন আদম (আ) দেহ এবং আত্মার (রুহের) মধ্যবর্তী ছিলেন।” এই হাদিসটির পর্যালোচনা : লেখক, গবেষক ও সংকলক : মাসুম বিল্লাহ সানি FB ID :   https://goo.gl/0VsqCZ হাদিসটি ওহাবী সালাফীদের দ্বারা এ হাদিস কখনো জাল, কখনো দ্বয়ীফ বলে অপপ্রচার চলছে কারন ১টাই তারা রাসুল (সা) এর প্রতি বিদ্বেশ পোষন করে তাই রাসুলের প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কিত হাদিসগুলোকে তারা পছন্দ করে না বলে জাল, জ্বয়ীফ বলে প্রচার করে। হাদিসটির সুত্র :  সামান্য ভিন্ন রকম বর্ননাগুলো পাওয়া গেছে এই সকল সুত্রে কিন্তু মুল বিষয়বস্তু একই। """আমি তখনও নবী ছিলাম-- """যখন আদম (আ) দেহ ও রুহের মধ্যবর্তী ছিল""" অথবা """যখন আদম (আ) দেহ ও মাটির মধ্যে মিশ্রিত ছিল""" এক নজরে  হাদিসটি বিভিন্ন সুত্র : ১ম সুত্র : হযরত মাইসিরা আল ফজর ( রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর সুত্রে যারা যারা বর্ননা করেছেন : ১) ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ) : মুসনাদে আহমদ ২) ইমাম বুখারী (রহ) : আত তারিখুল কবীর ৩) ইমাম ত্বাবারানী (রহ) ৪) ইমাম হাকিম (রহ) ৫) ইমাম বায়হাকী (রহ) ৬) ইমাম আবু নু...

"রসুল (দুরুদ) এর দাত মোবারক থেকে নুর নি:সৃত হত" এই হাদিসটি জাল না সহিহ?

সহিহ হাদিস জাল বানানোর অপচেষ্টা : ""রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দাত মোবারক থেকে নুর নি:সৃত হত"" ---- এ সম্পর্কিত সহিহ হাদিসকে ওহাব, সালাফী- আহলে হাদিস দের দ্বারা জাল বানানোর অপচেষ্টা ও উক্ত জঘন্য বক্তব্যের জবাব :- দলীল নং-১ “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লা­হু আনহু) বলেন, রাসুল (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সামনের দন্ত মোবারক প্রশস্ত ছিল।যখন তিনি কথা বলতেন তখন তাঁর দন্ত সমূহ থেকে নূর(আলো) বের হত। Reference : ★ ইমাম বায়হাকীঃ দালায়েলুন নবুয়তঃ১/২১৫পৃঃ ★ ইমাম তিরমিযিঃ শামায়েলে তিরমিযিঃ১২পৃঃ,হাদিস নং-১৪ ★ ইমাম বাগভীঃ শরহে সুন্নাহঃ১৩/­২২৩পৃঃ,হাদিসঃ৩৬৪৪ ★ খতিব তিবরিযিঃ মিশকাতুল মাসাবিহঃ৪/­৫১৮পৃঃ,হাদিসঃ৫৭৯৭ ★ ইমাম দারেমীঃ আস সুনানঃ১/­২০৩পৃঃ,হাদিসঃ৫৯ ★ ইমাম সৈয়ুতিঃ খাসায়েসুল কোবরাঃ১/­১১১পৃঃ,হাদিসঃ২৮৪ ★ ইমাম আবদুর রাজ্জাকঃ আল মুসান্নাফঃ১১/২৬০পৃঃ ★ ইমাম নাবহানীঃ হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামিনঃ৬৬৩পৃঃ ★ ইবনে আসাকিরঃ তারিখে দামেস্কঃ২/৫৭পৃঃ ★ ইবনে হাজর হায়তামীঃ মাযমাউদ যাওয়াইদঃ৮/২৭৯পৃঃ ★ ইমাম তাবরানিঃ মু’জামুল আওসাতঃহাদিস নং-৩৫৬৩ ★ ইবনে কাসিরঃ আল বে...

শানে আউলিয়া

ছবি
❤ ``````````  শানে আউলিয়া  ````````` ❤ ★ ওলি আরবী শব্দ। আরবী ভাষায় “আউলিয়া” শব্দটি “ওলি'র বহুবচন। ওলি' অর্থ বন্ধু,মিত্র বা অনুসারি, মুরব্বী,  অভিভাবক । কখনো শব্দটির অর্থ হয় শাসক, অভিভাবক বা কর্তা। (তথ্যসূত্রঃ আরবী-বাংলা অভিধান,প্রকাশনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)। ★ প্রসিদ্ধ আরবী-ইংরেজী অভিধান “আল-মাওয়ারিদ” অনুসারে ওলি শব্দের অর্থঃ guardian, patron, friend,companion ইত্যাদী। ★ পবিত্র কোরআনে “ওলি” এবং “আউলিয়া” এ উভয় শব্দটির ব্যবহার হয়েছে অসংখ্য বার। ★★★ ওলীগনের অবস্থা সম্পর্কে বোঝার জন্য কিছু মুল্যবান বানী দেখে নেই : ★ "সুফি তিনিই যার নিকট জাহের ও বাতেন (গায়েব) পরিষ্কার" - বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রা)।। ★ "দরবেশের শান সেটাই যার ঘর থেকে কেউ খালি হাতে ফেরে না" - সুলতানুল হিন্দ খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রা)।। ★ "মানুষ ফকীরী ও দরবেশীর যোগ্য তখনই হয় যখন তার এই অস্থায়ী জগতের কোন কিছু অবশিষ্ট না থাকে।" - সুলতানুল হীন্দ খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহঃ) ★ একদিন হযরত খাজা গারিবে নেওয়াজ মইনুদ্দিন চিশতী (র) কাবার হেরেম শরীফে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় ...