পোস্টগুলি

জুলাই, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাদিসশাস্ত্রের পরিচয় (Introduction to Al-Hadith) :(part 3 )

ছবি
Chapter No. 8      Sanad (Chain of Transmission) Made Essential Constituent of Deen Chapter No.  9    Terminology used to label the status of narrator of Hadith Chapter No. 8  Sanad (Chain of Transmission) Made Essential Constituent of Deen  Ibne Sereen said: "This knowledge (of Hadith) is your Deen, so first verify from whom you  are learning it (i.e. don't trust everyone, learn it from reliable one only)." (Muslim) He also said: "In earlier times if any one would narrate a Hadith, no body asked him about 'Sanad-’Chian of transmission’. Afterwards when 'Fitna' spread (i.e., when falsehood, innovations (Bid'ats) of Rwafiz, Khwarij, Marjia and Qadria groups started spreading), then people started asking for 'Sanad' to ascertain whether narrators were from Ahle-Sunnah, then they would accept the Hadith and if the narrators were Bida'ti, then they would reject it".  (Muslim) Abu Zinad (Abdullah bin Zakwan, an Imam of Hadith) says that: ...

হাদিসশাস্ত্রের পরিচয় (Introduction to Al-Hadith) :(part 2 )

ছবি
Chapter 3 Significance of Hadith Chapter 4        Dedication of Sahaabah Kiram towards Qur’an & Hadith Chapter 5        Continuity of Hadith from Generation to Generation Chapter 6        Memorisation and compilation of Hadith Chapter 7        What worked as a guiding principle Chapter 3 Significance of Hadith (Hujjat-e-Hadith حجت حديث) What Qur’an says about Hadith : لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ "Ye have indeed in the Messenger of Allah an excellent exemplar." (33:21) وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا "So take what the Messenger gives you and, and refrain from what he prohibits you." (59:7) مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ "He who obeys the Messenger, obeys Allah." (4:80) فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَس...

হাদিসশাস্ত্রের পরিচয় (Introduction to Al-Hadith) :(part 1 )

ছবি
Chapter 1  Terms of ilm-Al- Hadith Chapter 2  Classification of Hadith Chapter 1 Terms of ilm-Al- Hadith Some common terminology used in Ilm-Hadith Athar (اثر) Literal meaning: Left over part of something, sign. Technical meaning: It is used in three ways viz., 1. Synonymous with Hadith. 2. That statement or act which is attributed to Sahaabah, Taabaeen. 3. That thing which is attributed to Sahaabah.  Sunnah (السنّة) Literal meaning:  Practice, habit. Technical meaning: 1. Same as Hadith. 2. Practices of Rasulullah (Sallallahu Alaihi Wasallam) 3. That commandment which is proved by Qur’an and sunnah. 4. Antonym of Bid'at (innovation). 5. Demanded by Shari’ah in addition to Fardh and Wajib; on performance of which is reward and on avoidance of which there is punishment. Sanad (سند) Literal meaning:  Support. Technical meaning: Chain of transmission (The sequential list of names of a group of narrators who narrate a particular Hadith).  Matan (متن) Litera...

জুম'আর ফজীলত সমুহ :

ছবি
পবিত্র জুমার ফযিলত সম্পর্কে "সুরাতুল জুমা" এর নবম আয়াতে ইরশাদ ফরমানঃ- হে ঈমানদারগণ,যখন নামাযের আযান হয় জুমা দিবসে,তখন আল্লাহর যিকরের দিকে দৌঁড়াও এবং বেচা-কেনা পরিত্যাগ করো,এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা জানো| (পারা-২৮,সুরা-জুমা,আয়াত-০৯...তরজুমায়ে কানযুল ঈমান) |.......জুমার অর্থ.......| প্রখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন,হাকীমুল উম্মত,মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বর্ণনা করেন, যেহেতু সেদিনই সমস্ত সৃষ্ট জীবের অস্তিত্বের বিকাশ ঘটেছে,সেদিনই হযরত আদম ছফীয়্যুল্লাহ (আলাইহিস সালাম) উনার মাটি একত্রিত করা হয়,আর সেদিনই লোকেরা একত্রিত হয়ে জুমার নামায আদায় করে থাকে|তাই সে দিনকে জুমা বলা হয়|ইসলামের পূর্বে আরবরা উহাকে 'আরুবা' নামে অভিহিত করতো| (মিরাত শরহে মিশকাত,খন্ড-০২,পৃঃ- ৩১৭) |......দুরুদ শরীফ পড়ার ফযিলত......| নবীয়ে দো জাহান,রহমতে আলামিয়ান,মাহবুবে রহমান ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেছেন, "যে ব্যক্তি আমার উপর জুমার দিন দুইশতবার দুরুদ শরীফ পাঠ করবে,তার দুইশত বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে| (কানযুল উম্মান,খন্ড-১,পৃঃ-২৫৬,হাদীস নং-২২৩৮) |......

ব্যাখ্যা না জেনে সকল সহীহ হাদিসেরও সরাসরি অনুসরন করা যাবে না :-

এখানে কতিপয় সাংঘর্ষিক হাদিস ও এর সমাধান উদাহরণ সহ বুঝিয়ে দেয়া হল : ১. হাদিস শরীফ: হযরত হুযায়ফা (রা:) থেকে বর্নিত , তিনি বলেন “রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম একবার এক সম্প্রদায়ের আবর্জনা ফেলার স্হানে গমন করলেন । সেখানে এসে তিনি এর ওপর দাড়িয়ে প্রস্রাব করলেন । …. ( তিরমিযী শরীফ ১৩ নং হাদিস ) এখন মনে করুন আপনি এই হাদিস শরীফ পড়লেন এবং সবাইকে বললেন রসুল (সা:) যেহেতু দাড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন এবং এটা সহীহ হাদিস তাই এই হাদিসের ওপর আমল করাতে কোনো অসুবিধা নেই। এখন কিছুদিন পর আপনি তিরমিজী শরীফ আবার খুলে পড়া শুরু করলেন এবং এই হাদিসটি পেলেন : হাদিস শরীফ: হযরত আয়েশা (রা:) থেকে বর্নিত তিনি বলেন “যে তোমাদের কাছে বর্ননা করবে যে রসুল (সা:) দাড়িয়ে প্রস্রাব করতেন , তোমরা তার কথা বিশ্বাস করবে না । তিনি কেবল বসেই প্রস্রাব করতেন । ( তিরমিযী শরীফ ১২ নং হাদিস ) দ্বিতীয় নং হাদিস শরীফ পড়ে আপনি তো মহা সমস্যায় পড়লেন । কেননা আপনি প্রথম হাদিস শরীফ পড়ে আমল করেছেন এবং আপনার হয়ত আরো বন্ধুদের বলেছেন । কিন্তু দেখা গেলো দুটো হাদিস শরীফ সহীহ হওয়া সত্বেও সাংঘর্ষিক । চলুন আমরা দেখি আসলে ব্যাপার...

ইমাম ইবনে সীরীন (রহ) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্বপ্নের ব্যাখ্যাকারক, এ সম্পর্কিত কিছু ঘটনা :

ছবি
ইমাম ইবনে সীরীন (রহ) [৩৩-১১০ হি:] ছিলেন একজন বিখ্যাত স্বপ্নের ব্যাখ্যাকারক : এ সম্পর্কে তার লিখা স্বপ্নের তাবীর কিতাবটি পড়তে পারেন। স্বপ্নের ব্যাক্ষা যদি আমরা করতে যাই তা হলে আমাদের কে আগে হাদীস কোরান ফেকাহ ও হকিকত এর ইলম থাকতে হবে । কারন কোরানের আয়াত দিয়ে ও স্বপ্নের ব্যাক্ষা করে হয় হাদিস দিয়ে ও করা হয় তাফসির দিয়ে ও করা । আর ইলম এ হকিকত না থাকলে যদি কেউ শুধু শুধু হাতে গনা কোরানের আয়াত ও হাদিস থেকে স্বপ্নের ব্যাক্ষা করতে চায় তবে তা হবে এক যুগান্তকারী ভুল । ১. আমাদের শ্রদ্ধেয় ইমাম আবু হানিফা (রহ) তার জীবনে স্বপ্ন দেখেন যে ;- তিনি নবী (সা) এর কবর খুড়ে খুড়ে হাড্ডি গুলো বের করছিলেন আর তিনি একটা হাড্ডির চেয়ে অন্য হাড্ডি টা ওনেক সুন্দর পাচ্ছিলেন । তিনি এই স্বপ্ন দেখে ঘাবড়ে যান ও দ্রুত স্বপ্ন বিষারদ এর ইমাম হযরত ইবনে সীরিন (রহ) কাছে চলে যান ও সব কিছু খুলে বলেন । ইমাম ইবনে সীরীন (রহ) বলেন এ তো ইমাম আবু হানিফার জন্য নির্দিষ্ট কৃত স্বপ্ন । তুমি কে ? তখন ইমাম আবু হানিফা বলেন আমিই আবু হানিফা । উল্লেখ্য যে ইমাম ইবনে সীরীন (রহ) ...

যে সালাত মিসওয়াক করে আদায় করা হয়, সেই সালাতে মিসওয়াক করা বিহীন সালাত থেকে ৭০গুণ বেশী নেকী হয়।

সহীহ হাদীসকে জাল হাদীস বানানোর ভয়ংকর ষড়যন্ত্র- নামধারী আহলে হাদীস সর্দার মুজাফফর লিখেছেন, যে সালাত মিসওয়াক করে আদায় করা হয়, সেই সালাতে মিসওয়াক করা বিহীন সালাত থেকে ৭০গুণ বেশী নেকী হয়। একথাটি জাল। এর কোন ভিত্তি নেই। দেখুন, জাল হাদীসের কবলে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সালাত/৩১ ___________________________ জবাবঃ প্রথমেই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি একটি সতর্কবাণী- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা আমার উপর মিথ্যাচার করোনা। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যাচার করে সে যেন জাহান্নামে প্রবেশ করে। সহীহ আল বুখারী-১০৬ এবার মূল জবাবঃ হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত এ হাদীসটি বিভিন্ন সনদে এসেছে। اخرجه الخطيب البغدادي عَن ابْن لَهِيعَة عَن (أبي) الْأسود ، عَن عُرْوَة ، عَن عَائِشَة ، عَن النَّبِي - صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسلم - قَالَ : «صلاة على أثر سواك أفضل من سبعين صلاة بغير سواك» . হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে সালাত মিসওয়াক করে আদায় করা হয়, সেই সালাত মিসওয়াক করা বিহীন সালাত থেকে ৭০গুণ বেশী উত্তম। এখানে রয়েছেন- ১/ইমাম খতীব বাগদাদী ২/ইবনু...

ইয়াজিদ সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহ) এর নামে মিথ্যাচারকারী ড জাকির নায়েকের জবাব :

জাকির নায়েক তার কাজকে সঠিক প্রমান করার জন্য যুক্তি প্রদান করে যে, “ সহীহ বুখারীতে একটি হাদীস আছে যেখানে বলা হয়েছে যে যারা কনস্টান্টিনোপল (কুসতুনতুনিয়া) জয় করবেন তাঁরা জান্নাত পাবেন এবং ইয়াজিদ ছিল ঐ বাহিনীর কমান্ডার” [www.youtube.com/watch?v=R1qgyHCb0Jw]। ________________________________ এই ব্যক্তি সহীহ বুখারীর নামে সম্পূর্ন মিথ্যা কথা বলেছে। ________________________________ সহীহ বুখারীতে এমন কোন হাদীস নেই যেখানে বলা হয়েছে যে, ``যারা কনস্টান্টিনোপল (কুসতুনতুনিয়া) জয় করবেন তাঁরা জান্নাত পাবেন এবং ইয়াজিদ ছিল ঐ বাহিনীর কমান্ডার”। ইহা সহীহ বুখারীর নামে সরলপ্রান মুসলিমগনকে বিভ্রান্ত করার একটি ঘৃন্য প্রচেষ্টা । হাদীসের নামে যারা মিথ্যা কথা বলে তাদের ইসলাম নিয়ে কথা বলার কোন অধিকার থাকতে পারে না। হাদীসের নামে জেনেশুনে মিথ্যা কথা বলা রসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম'র সঙ্গে ও ইসলামের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। ★ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ যে ব্যক্তি আমার সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলে তার ঠিকানা জাহান্নাম” [তথ্যসূত্র ; সহীহ বুখারী, খন্ড ০১, পৃ. ৪১, হাদীস ১...