পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে সহিহ কোনো হাদিস আছে কি?

উত্তর : নামাযে মুসল্লি বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে সহিহ, সরীহ ও মুত্তাফাক আলাইহি কোনো ধরণের হাদিস উল্লেখ পাওয়া যায় না। কিন্তু তা সত্ত্বেও সম্প্রতি কতিপয় গায়রে মুকাল্লিদ ও লা-মাযহাবীদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে স্বাধারণ মুসল্লিগণ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছেন। ১ হাদিস রয়েছে যা ওয়ায়েল বিন হুজুর (রা) থেকে বর্নিত কিন্তু ইহা সনদের দিক থেকে অত্যন্ত দুর্বল। কেননা হাদিসটির একটি সনদে একজন রাবী হলেন মুয়াম্মল ইবনে ইসমাইল। তিনি প্রখ্যাত ছিকাহ রাবী ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকেই উক্ত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদিসটি আরো আটটি (৮) সনদে বর্ণিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। যার সবগুলোই ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। অথচ আটটি সনদের কোনো একটিতেও علي صدره (বুকের উপর) কথাটুকু পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র মুয়াম্মল ইবনে ইসমাইল এর বর্ণিত হাদিসেই علي صدره (বুকের উপর) কথাটুকু পাওয়া যায়, যিনি منكر الحديث তথা হাদিসের জগতে পরিত্যাজ্য। তাই ধারণা করা যাচ্ছে যে, “বুকের উপর” অংশটুকু তারই বৃদ্ধিকৃত। ফলে তা বাতিল। মজার ব্যাপার হল, ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) নিজেও علي صدره (বুকের উপর) কথাটুকুর উপর আমল কর...

আল্লাহর দয়া ছাড়া কারো আমল তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে না :-

ছবি
→→  নবীজি রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'আমার উম্মতের মধ্যে যারা আবদাল শ্রেণীর অলিআল্লাহ, তারা নামাজ-রোজার বিনিময়ে বেহেশতে প্রবেশ করবে না। তবে তারা বদান্যতা, হৃদয়ের পবিত্রতা এবং মানুষকে হেদায়েতের বিনিময়ে বেহেশতে প্রবেশ করবে।' রেফারেন্স : ★ [ইয়াহ্উল উলুম, হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী →→ হযরত জিবরাঈল (আঃ) নবী করীম (সাঃ)-এর কাছে এসে একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি পাহাড়ের উচ্চ চূড়ায় পাঁচশ বছর ধরে আল্লাহ পাকের ইবাদতে মশগুল ছিল। ঐ পাহাড়ের চারদিক লবণাক্ত পানি দ্বারা বেষ্টিত ছিল। আল্লাহ তা'আলা তার জন্য পাহাড়ের অভ্যন্তরে সুপেয় পানির ঝর্ণা এবং একটি আনার গাছের সৃষ্টি করেন। প্রতিদিন সেই ব্যক্তি আনার ফল খেত এবং পানি পান করত। আর পানি দিয়ে অযূ করত। সে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে এই দু'আ করল- হে আল্লাহ্‌! আমার দেহ থেকে রূহ যেন সেজদারত অবস্থায় কবয করার ব্যবস্থা করা হয়। আল্লাহ্‌ তা'আলা তার এই দু'আ কবুল করেন। হযরত জিবরাঈল (আঃ) বলেন- আমি আসমানে আসা যাওয়ার সময় তাকে সেজদারত দেখতাম। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তা'আলা তার সম্পর্কে বলবেনঃ আ...

আল্লাহর নিদর্শন সমুহ : লুত (আ) এর অবাধ্য স্ত্রীর পরিনতি :

ছবি
হযরত লুত(আ:) এর স্ত্রী অবাদ্ধতার পরিনতি, আল্লাহ পাকের হুকুমে জাহান্নামের আযাবদানকারী ফেরেশতা নবী হযরত লুত (আ) তার উম্মতদের জঘন্য অপরাধের শাস্তি স্বরূপ তাদের ধ্বংস করে দেয়া পয়গাম শুনালে নবী খুব ভেঙ্গে পড়েন। নবীকে সান্ত্বনা দিয়ে ফেরেশতারা বলেন যে ” আল্লাহপাক আপনার পরিবারকে হেফাজত করবেন, শুধু আপনার স্ত্রী ছাড়া , কারনে সে অবিশ্বাসীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত “। এতে হযরত লুত (আ) আরও বিষণ্ণ হয়ে পড়লে , ফেরেশতারা বলেন যদি আপনার স্ত্রী এই এলাকা ছেড়ে যাবার সময় পিছনে না তাকায় তাহলে সে আল্লাহর গজবে পতিত হবে না,। সুদুম এলাকা থেকে রাতে আসার সময় নবী তার পরিবারের সকল সদস্যদেরকে পিছনে তাকাতে না বললেন। নবীর নির্দেশ সবাই শুনলেও তার অবাধ্য স্ত্রী শুনে নি।ফলে পিছনে ফিরে তাকানোর সাথে সাথেই আল্লাহর আজাবের ফেরেশতা তাকে পাথরের মূর্তিতে পরিনত করে দেন এবং সমগ্র সুদুম এলাকা উল্টে সমুদ্রে পরিনত করে দেন। বর্তমানে যে পাথরের স্তম্ভ দেখতে পাচ্ছেন তা নবী লুত (আ) এর জীবন্ত স্ত্রীর মূর্তি । যা আজও আল্লাহর কুদরতে ধ্বংস হয় নি। ইহা বর্তমানে জর্ডানের মৃত সাগর এলাকায় অবস্থিত।

Yazid (May Allah's Lanah (Curse) be upon him) :

The Holy Prophet (Sallallahu alaihi wa sallam) In some Hadith, Yazid has only been indicated and in some he has been explicitly mentioned, that, ```the first person in the Ummah to change the Sunnah and to destroy the Deen will be a person from Bani Ummayyah called Yazid.``` Reference : ★ Musannaf Ibn Abi Shaiba, ★ Dalaail Un Nabuwwah lil Baihaqi ★ Imam Abu Ya'ala has written in his "Musnad" ★ Imam Ibn Hajar Asqalani has written in his "Al-Matalib al A'aliya” ★ Imam Shahabuddin Ahmed bin Hajar Haitami in “As- Sawaaiq Al Muhriqa” ★ Imam Ibn Katheer in "Bidayah Wan Nihayah" ★ Imam Jalaluddin Suyuti in "Tarikh Al Khulafa." সনদ পর্যালোচনা : About Sanad : The great Muhaddith of the 3rd century Hijri Imam Abu Ya'ala has recorded a Hadith along with its chain of narration in his Musnad Vol 2, Pg No. 71: It has been narrated on the authority of Hadhrat Abu Ubaidah bin Jarrah (May Allah SWT be well pleased with him) that the Holy Prophet (Sallallah...

যে গল্পে হৃদয় গলে (২) : হজরত মালেক বিন দিনার রহ. এর ঘটনা :-

প্রথম পর্ব : যে গল্পে হৃদয় গলে (১) : হযরত সাদ সালামি (রা) এর ১টি ঘটনা :- http://sunni-encyclopedia.blogspot.com/2015/06/blog-post_23.html?m=1 ২য় পর্বে → মদখোর থেকে পৃথিবী খ্যাত ইমাম হয়েছিলেন যিনি - তিনি ছিলেন ২য় হিজরির বিখ্যাত সুফি। একদিন লোক ভরপুর এক মাহফিলে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি। শুরুতেই প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন এক শ্রোতা। বললেন, আপনার বক্তৃতা পড়ে শুনব। তার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন। বছর দশেক আগে আপনাকে মাতাল অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেছিলাম। আপনি ছিলেন ছন্নছাড়া এক ব্যক্তি। খারাপ কাজ ছাড়া ভালো কাজে দেখিনি কখনো। অথচ আজ আপনি আমাদের সামনে ওয়াজ করছেন। আপনার এই পরিবর্তন কিভাবে হলো? শ্রোতার এমন প্রশ্ন এড়াতে পারলেন না বক্তা। বললেন, শুনুন তাহলে আমার ঘটনা। সেদিন ছিল শবে কদরের রাত। শহরের মদের দোকানগুলো বন্ধ ছিল। এক দোকানিকে অনুরোধ করে মদ কিনলাম। তারপর চলে এলাম বাসায়। রাতে মদ ছাড়া ঘুমই আসত না। সেদিন বাসায় ঢুকেই দেখি স্ত্রী নামাজ পড়ছে। নিশ্চুপে আমার ঘরে চলে এলাম। টেবিলে রাখলাম বোতলটা। হঠাৎ আমার তিন বছরের মেয়েটা দৌড়ে এলো। টেবিলে সঙ্গে তার ধাক্কা লেগে মদের বোতলটি পড়ে ভে...

ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল সম্পর্কে পূর্ববর্তী মুহাদ্দিসদের অভিমত :-

১. ইমাম আলী ইবন আল মাদীনী (মৃঃ ২৩৪ হিজরি) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পর দুই জন ব্যাক্তির মাধ্যমেই ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, একজন হলেন আবু বকর(রাদিয়াল্লাহু আনহু) অপরজন হলেন আহমাদ ইবন হাম্বল”  [তবকাত আল-হানাবিলাহ, পৃঃ ১/৩১] ২.  ইমাম আব্দুল ওয়াহহাব আল ওয়াররাক বলেনঃ “আমি ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বলের মত আর কাউকে দেখিনি, তাকে জিজ্ঞাসা করা হল আপনি অন্যের চেয়ে ইমাম আহমাদের মাঝে জ্ঞান বা মর্যাদার বেশী পেয়েছেন কি? তিনি বললেনঃ ইমাম আহমাদ এমন একজন ব্যাক্তি যাকে ৬০,০০০ (ষাট হাজার) প্রশ্ন করা হল, তিনি সকল প্রশ্নের জবাবে হাদ্দাছানা ওয়া আখবারানা অর্থাৎ শুধু হাদীস হতে জাবাব দিয়েছেন অন্য কিছু বলেন নি”  [তবকাত আল-হানাবিলাহ, পৃঃ ১/৯] বিঃ দ্রঃ  ৬০,০০০ (ষাট হাজার) প্রশ্নের জবাব ইমাম আহমাদ শুধু মাত্র হাদীস হতে দিয়েছেন, অন্য কিছু বলেন নি, এ থেকেই ইমাম আহমাদের জ্ঞান সম্পর্কে বুঝা যায়। ৩. ইমাম আবু হাতীম মুহাম্মাদ বিন ইদ্রীস আর-রাযী (মৃঃ ২৭৭ হিজরি) বলেছেনঃ “সহীহ ও যইফ(দুর্বল) হাদীস সম্পর্কে আহমাদ ইবন হাম্বল খুব ভাল বুঝতেন” [Al-Jarh wat ta’deel:...

সালাতে হাত কোথায় বাধব? (পর্ব ২)

ওয়ায়িল ইবন হুজর(রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর "হাত বাধা" সম্পর্কিত হাদীসটির বিভিন্ন সুত্র নিম্নরুপ, কিন্তু এগুলোরে ""বুকের উপর হাত রাখার"" বর্ননাটি সম্পুর্ন অনুপস্থিত : সৌদি আরবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল-ওয়াদায়ীর উপস্থাপনায় শাইখ খালীদ ইবন আব্দুল্লাহ আশ-শায়ি’ ‘আল-ইলাম বি তাখয়ীরিল মুসাল্লী বিমকানি ওয়াদয়িল ইয়াদাইনি বা’দা তাকবীরাতিল ইহরাম’(তাকবীর তাহরীমার পরে হস্তদ্বয়ের অবস্থান মুসল্লীর ইচ্ছাধীন হওয়া অবগতকরন) নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাদের গবেষণায় ওয়ায়িল ইবন হুজর(রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসটির বিভিন্ন সুত্র নিম্নরুপঃ (১) মুসনাদে আহমাদ (৪/৩১৮) আব্দুস সামাদ, যায়েদা থেকে। (২) মুসনাদে আহমাদ (৪/৩১৮) ইউনূস ইবন মুহাম্মাদ, আব্দুল ওয়াহিদ থেকে। (৩) মুসনাদে আহমাদ (৪/৩১৮) আব্দুল্লাহ ইবন ওয়ালীদ, সুফিয়ান থেকে। (৪) মুসনাদে আহমাদ (৪/৩১৮) আসওয়াদ ইবন আমির, যুহাইর থেকে। (৫) মুসনাদে আহমাদ (৪/৩১৯) আসওয়াদ ইবন আমির, শু’বা থেকে। (৬) সুনানে আবু দাউদ (৭২৬ নং) মুসাদ্দাদ, বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল থেকে। (৭) সুনানে আবু দাউদ (৭২৭ নং) হাসান ইবন আলী, আবুল ওয...

সালাতে কোথায় হাত বাধতে হবে? (পর্ব ১)

উত্তরঃ এ ব্যাপারে চার ধরনের বর্ননা পাওয়া যায় : ★ সালাতে হাত রাখবে বুকে[1], ★ বুকের নীচে নাভীর উপরে[2] (সর্বোত্তম) ★ নাভীর নিচে[3]। (সর্বোত্তম) ★ গলা বা কন্ঠনালীর নিচে হাত বাধা [26] সুত্র : [1] . সুনানে আবু দাউদ, তাউস কর্তৃক বর্ণিত মুরসাল(যঈফ) হাদীস; ইবনু খুজাইমাতে বর্ণিত যঈফ হাদীস।(বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসছে) [2] . সুনানে আবু দাউদ, আলী(রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত যঈফ হাদীস। [3] . সুনানে আবু দাউদ, আলী(রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত যঈফ হাদীস। [26], বায়হাকী : সুনানে কুবরা হানাফী মাযহাবের মত[4], শাফিয়ী মাযহাবের একটি মত[5], ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বলের প্রসিদ্ধ মত[6], হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মত[7] অনুসারে সালাতে হাত নাভীর নিচে রাখা উত্তম, ইমাম ইসহাক ইবন রাহাওয়াইহি, সুফিয়ান সাওরী প্রমুখ মুহাদ্দিস ফকীহও এ মতটি গ্রহন করেছেন।[8] ইমাম মালিক ইবন আনাস এবং আহমাদ ইবন হাম্বলের একটি মত[9], এবং শাফিয়ী মাযহাবের মূল মত[10] অনুসারে সালাতে হাত নাভীর উপরে বুকের নিচে রাখা উত্তম। কিছু হানাফী ফকীহ বলেছেন যে শাফিয়ীদের মতে বুকে হাত বাধবে কিন্তু এরুপ কোনো কথা শাফিয়ী ফক...

মিলাদুন্নবী (সা) সম্পর্কে ৪০ টি বই ডাউনলোড লিংক :

ঈদে মীলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন এবং মিলাদ-ক্বিয়ামের দলীল সম্বলিত বই/নিবন্ধ/রচনাবলী -------------------------------------------------------------------------------------- শরীয়তের দৃষ্টিতে সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মীলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন এবং মীলাদ ও ক্বিয়াম শরীফের দলীলসমূহ জানতে নিম্নোক্ত কিতাব এবং নিবন্ধসমগ্র ডাউনলোড করে সংগ্রহে রাখুন। ধন্যবাদ। ১। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের দলীল মূলঃ আল্লামা সাইয়্যেদ ইউসুফ হাশেম রেফায়ী ডাউনলোডঃ http://www.mediafire.com/download/fz7r019dl4zrc6d/Ahle+Sunnah+Wal+Jamaat-er+Dalil.pdf ২। আহলে সুন্নাহর দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন্ননবী (দঃ) অনুবাদঃ কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন ডাউনলোডঃ http://www.mediafire.com/download/3ut0ay6lj9y19xv/Ahlus+Sunnahr+Dristi-te+Eid-e+Miladunnabi.pdf ৩। আকায়েদে আরবায়াহ মূলঃ মুফতী মোহাম্মদ আলী আকবর ডাউনলোডঃ http://www.mediafire.com/download/c3y1uk8xra2os98/Akayed-e+Arbayah.pdf ৪। আল-কুরআন ও সহীহ্‌ হাদীসের আলোকে ঈদে মীলাদুন্নবী (সঃ) মূলঃ মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল হোছাইন আল্‌কাদেরী ডাউনলোডঃ http://www.mediafire.com/download/344i4co5tq0eacq/Al-Quran+...