পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইসলামের বৈজ্ঞানিক নিদর্শনঃ হাসি কান্নার গুরুত্ব ও উপকারীতা -

আল- কোর আন  এ আল্লাহর  নিদর্শন ও  নাস্তিকদের জবাবঃ আপনি কি দেখেন না যে,  →  নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তা রা   এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য ইবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।  → নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, অতঃপর তাকে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তাকে স্তরে স্তরে রাখেন; অতঃপর আপনি দেখেন যে, তার মধ্য থেকে বারিধারা নির্গত হয়।  → তিনি আকাশস্থিত শিলাস্তূপ থেকে শিলাবর্ষণ করেন এবং তা দ্বারা যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা তা অন্যদিকে ফিরিয়ে দেন।  → তার বিদ্যুৎ ঝলক (ব জ্রপাত) দৃষ্টিশক্তিকে যেন বিলীন করে দিতে চায়।  → আল্লাহ দিন-রাত্রির পরিবর্তন ঘটান।  এতে অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্নগণের জন্য চিন্তার উপকরণ (নিদর্শন) রয়েছে। → আল্লাহ প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক বুকে ভর দিয়ে চল...

নবীগন ও অলীগন ইন্তেকালের পরও জীবিত থাকেনঃ

সহিহ হাদিস থেকেঃ 1→ হযরত আনাস রা. বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, الأَنْبِيَاءُ أَحْيَاءٌ فِي قُبُورِهِمْ يُصَلُّون. ‘নবীগণ কবরে জীবিত, নামায আদায় করেন’। ★ মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস ৩৪২৫;  ★ হায়াতুল আম্বিয়া লিল বাইহাকী, হাদীস ১-৪ যারা এ বর্ণনাকে সহীহ বলেছেন: ১. ইমাম বাইহাকী রাহ. (হায়াতুল আম্বিয়া, পৃ. ৫) ২. হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. (ফাতহুল বারী  ৬/৬০৫) ৩. হাফেজ ইবনুল মুলাক্কিন রাহ. (আল-বাদরুল মুনীর ৫/২৮৫) ৪. হাফেজ নূরুদ্দীন হাইসামী রাহ. [এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত] (মাজমাউয যাওয়াইদ, ৮/২১১, হাদীস ১৩৮১২) ৫. আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রাহ. (ইম্বাউল আযকিয়া বিহায়াতিল আম্বিয়া, আল-হাবী, পৃ. ৫৫৫) ৬. আল্লামা মুনাবী রাহ. (ফায়জুল কাদীর, হাদীস ৩০৮৯) ৭. শাওকানী রাহ. (তুহফাতুয যাকিরীন পৃ. ২৮; নাইলুল আউতার, ৩/২৪৭) ৮. শায়খ নাসীরুদ্দীন আলবানীঃ সিলসিলাতুস সহীহা, হাদীস ৬২১;   ৯. আলবানীঃ সহীহুল জামিইস সাগীর;  ১০. আলবানীঃ আলজানাইয;  ১১. আলবানীঃ আত-তাওয়াসসুল। 2→ হযরত আউস ইবনে আউস রা. বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও...

স্বপ্নে দাত দেখলে কি হয়? ইমাম ইবনে সীরীন (রহঃ) এর ব্যাখ্যাঃ

ছবি

নামাযে পুরুষদের বুকে হাত বাঁধার দলিলের অবস্থাঃ (পর্ব ২)

নামাযে যিরার উপর যিরা রাখাঃ আরবীতে  হাতের আঙুলের মাথা থেকেই কনুই পর্যন্ত অংশকে ‘যিরা’ বলে। সম্প্রতি কিছু  মানুষ যিরার উপর যিরা রাখাকে সুন্নাহ মনে করেন এবং ডান হাতের পাতা বাম  হাতের পাতা, কব্জি ও যিরার উপর না রেখে ডান হাতের যিরা বাম হাতের যিরার উপর  রাখেন। হাত বাঁধার ক্ষেত্রে এটাও একটা বিভ্রান্তি ও বিচ্ছিন্নতা। নীচে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হল।  প্রথম হাদীস : সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত, ‘লোকদেরকে আদেশ করা হত, পুরুষ যেন তার ডান হাত বাম যিরার উপর রাখে।’ হাদীসটির আরবী পাঠ এই- كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة. قال أبو حازم : لا أعلمه إلا ينمى ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم. -মুয়াত্তা মালিক পৃ. ৫৫ ; সহীহ বুখারী ১/১০৪ এই হাদীসে যিরার উপর যিরা রাখার কথা নেই। বাম যিরার উপর ডান হাত রাখার কথা আছে।  দ্বিতীয় হাদীস : ওয়াইল ইবনে হুজর রা. থেকে বর্ণিত হাদীসের একটি পাঠ। তাতে আছে, ‘(আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ডান হাত বাম হাতের পাতা, কব্জি ও যিরার উপর রাখলেন।’  রেওয়ায়েতটির আরবী পাঠ এই- ثم وضع يده اليمنى ع...

যুগে যুগে ইমামগনের মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উদযাপনঃ

বিভিন্ন শতাব্দীর ইমামগনের মিলাদুন্নী (দুরুদ) পালনঃ ০১. আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ বিন উমর বাহরুক (র:) ও খাজরামী শাফী (র:)-(মৃ:৮৬৯-৯৩০ হি:) ওনারা পবিত্র মিলাদুন্নবী (দ) সম্পর্কে লিখেন- এদিনের প্রকৃত অবস্থান হলো,যেহেতু এদিনে রাসূল (দ:) এর জন্ম হয়েছে সেহেতু এদিনে ঈদ উদযাপন করাই হচ্ছে প্রকৃত দাবী। ★ হাদাইকুল আনোয়ার ওয়া মাতালিউল আসরার ফি সিরাতিন নাবিইয়িল মুখতার গ্রন্থের ৫৩-৫৮ পৃ: ০২. ইমাম ইবনে কাইয়্যুম (মৃ:-৭৫১ হি:) ইমাম ইবনে কাইয়্যুম তার কিতাবে বলেন যে, নবী করীম (দ:) ওনার মিলাদ মাহফিলে সুললিত কন্ঠস্বর শ্রবণ করা কিংবা ধর্মীয় বিষয় শ্রবণ করার মাধ্যমে অন্তরে প্রশান্তি লাভ হয়। কারণ নবী করীম (দ:) ওনার থেকে শ্রুতাকে নূর দেওয়া হয়ে থাকে। ★ মাদারেকুছ ছালিকিন-৪৯৮ পৃ: ০৩. ইমামুল আল্লামাহ নাসিরুদ্দীন মোবারক ইবনে বাতাহ (র:):- ৪র্থ যুগের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইমামুল আল্লামাহ নাসিরুদ্দীন মোবারক ইবনে বাতাহ (র:) পবিত্র মিলাদ সম্পর্কে নিজ ফতোয়ায় লিখেন, মহানবী (দ:) ওনা জন্ম রাতে কোন ব্যক্তি কিছু অর্থকরি ব্যয় করলে এবং জনগনকে সমবেত করে তাদেরকে পানাহার করালে বা রাসূল (দ:) ওনার জন্ম সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস স...

ডা. জাকির নায়েক কি লা-মাযহাবী?

প্রথমত আমাদের জানতে হবে #মাযহাবী এবং লা-মাযহাবী কাকে বলে ?  ==>যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে কোন স্বীকৃত বিজ্ঞ ব্যক্তিকে অনুসরন না এবং সে নিজেও #কুরআন ও#হাদীস সম্পকে পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞ নয়, তারপরও নিজে নিজে কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষনের করে তার উপর আমল করে তাকে #লা-মাযহাবী বলা হয়। ==>যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে কোন স্বীকৃত বিজ্ঞ ব্যক্তিকে অনুসরন করে মাযহাবী বলা হয়। এখন কথা হল আমাদের দেখতে হবে ডা. #জাকির #নায়েক কি কাউকে অনুসরন করেন নাকি নিজে নিজে কুরআন ও হাদীস দেখে দেখে আমল করেন ??? আসুন দেখি . . . ডাঃ #জাকির #নায়েক তার “Unity in the Muslim Ummah” (লিঙ্ক দিলাম না কারন নেটে সার্চ দিলেই পাওয়া যায়) শিরোনামের এক লেকচারে #শাইখ #নাসিরুদ্দিন #আলবানী সম্পর্কে বলেছেনঃ  • Many of my talks are based on his researched Masha Allah. “অর্থাৎ মাশা আল্লাহ আমার অনেক #লেকচার/কথা তার (শাইখ নাসির উদ্দিন আলবানী) গবেষনার উপর ভিত্তি করে”  • I am nothing compare to him, I am not even a drop in the ocean compare to Nasiruddin Alba...

অলি-আউলিয়ার মাজার জিয়ারিত এবং তাদের উছিলা দিয়ে প্রার্থনা করে বিপদ থেকে উদ্ধারঃ

দলিল নং 1  ইমাম যাহাবী বর্ণনা করেন: একবার সমরকন্দ অঞ্চলে খরা দেখা দেয়। মানুষজন  যথাসাধ্য চেষ্টা করেন; কেউ কেউ সালাত আল-এস্তেসক্কা (বৃষ্টির জন্যে  নামায-দোয়া) পড়েন, কিন্তু তাও বৃষ্টি নামে নি। এমতাবস্থায় সালেহ নামের এক  প্রসিদ্ধ নেককার ব্যক্তি শহরের কাজী (বিচারক)-এর কাছে উপস্থিত হন এবং বলেন,  আমার মতে আপনার এবং মুসলমান সর্বসাধারণের ইমাম বোখারী (রহ:)-এর মাযার শরীফ  যেয়ারত করা উচিত। তাঁর মাযার শরীফ খারতাংক  এলাকায় অবস্থিত। ওখানে মাযারের কাছে গিয়ে বৃষ্টি চাইলে আল্লাহ হয়তো বৃষ্টি  মঞ্জুর করতেও পারেন। অতঃপর বিচারক ওই পুণ্যবান ব্যক্তির পরামর্শে সায় দেন  এবং মানুষজনকে সাথে নিয়ে ইমাম সাহেব (রহ:)-এর মাযারে যান। সেখানে (মাযারে)  বিচারক সবাইকে সাথে নিয়ে একটি দোয়া পাঠ করেন; এ সময় মানুষেরা কান্নায়  ভেঙ্গে পড়েন এবং ইমাম সাহেব (রহ:)-কে দোয়ার মধ্যে অসীলা হিসেবে গ্রহণ করেন।  আর অমনি আল্লাহতা’লা মেঘমালা পাঠিয়ে ভারি বর্ষণ অবতীর্ণ করেন। সবাই  খারতাংক এলাকায় ৭ দিন যাবত অবস্থান করেন এবং তাঁদের কেউই সামারকান্দ ফিরে  যেতে চান...

মানব ভ্রুন বিকাশ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের বর্ননাঃ

ভ্রুণবিজ্ঞানীগণ ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে এই বিষয়টি আবিষ্কার করেছেন কেবল কয়েক বছর পূর্বে। আল্লাহ তাআলা ব্যতীত আর কে হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ওপর বহু শতাব্দী পূর্বে এমন সূক্ষ্ম ও সুনির্দিষ্ট তথ্য অবতীর্ণ করতে পারেন?  ```আর অবশ্যই আমি (আল্লাহ) মানুষকে মাটির নির্যাস থেকে সৃষ্টি করেছি।  → অতঃপর (ছুম্মা) আমি তাকে শুক্ররূপে (নুতফা) সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি।  → তারপর (ছুম্মা) আমি ‘নুতফা’ কে ‘আলাকা’য় (রক্তপিন্ড) পরিণত করি (খালাকনা)।  → অতঃপর (ফা) আমি আলাকাকে ‘মুদগা’য় (গোশতপিন্ডে) পরিণত করি।  → অতঃপর (ফা) মুদগাকে ‘ইযামে’ (হাড়ে) পরিণত করি।  → অতঃপর (ফা) ‘ইযাম’ কে ‘লাহম’ (মাংসপেশী) দ্বারা আবৃত করি। →  তারপর (ছুম্মা) আমি ‘আনশা’নাহু’ (তাকে গড়ে তুলি) অন্য এক সৃষ্টিরূপে।  অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত বরকতময়!``` (মুনিনুন, ২৩ : ১২-১৪)  উল্লেখ্য যে, এই আয়াতে কোরান মাজিদ দু’টি ভিন্ন সংযোজক অব্যয় তথা ‘ফা’ ও ‘ছুম্মা’ ব্যবহার করেছে। অধিকাংশ অনুবাদের ক্ষেত্রে উভয়টির একই অর্থ করা হয়েছে। অথচ পূর্বে যেমনটি উল্লেখিত হ...

চতুর্দশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ আ'লা হযরত আহমদ রেজাখান বেরলভী (রহ) এর লিখা সেই বিখ্যাত নাতে রাসুল (সা):-

আলা হযরতের নিম্নোক্ত নাত শরীফটি বিভিন্ন দেশে মিলাদুন্নবী (সা) এর মাহফিলে প্রসিদ্ধ হিসেবে পাঠ করা হয়: কাব্যানুবাদঃ “সবছে আওলা ও আলা, হামারা নবী” ১।সবছে আওলা ও আলা, হামারা নবী, সবছে বালা ও আলা, হামারা নবী।। সবার সেরা, রবের পেয়ারা, সে আমাদের নূর নবীজী, ভালোর চেয়ে ভালো, সেরাদের সেরা, আমাদের নূর নবীজী।। ২।আপনে মাওলাকা পেয়ারা, হামারা নবী, দোনো আলমকা দুলহা, হামারা নবী।। আপন প্রভূর প্রিয়ভাজন, আমাদের নূর নবীজী, দুই ভূবনের অতিথি, সে আমাদের নূর নবীজী।। ৩।বজমে আখেরকা শামা, ফেরুজা হুয়া, নুরে অয়াউয়ালকা জলওয়া, হামারা নবী।। সবার শেষে ধরার মাঝে, জ্বললো যে তাঁর নুরের বাতি। সবার আগে যে নুর পয়দা, নবীজী তাঁর প্রতিচ্ছিবি।। ৪।জিসকা শায়া হ্যায়, আরশে খোদা পর জুলুছ, হ্যায় উয়হ সুলতানে, ওয়ালা, হামারা নবী।। খোদার পাক আরশ জুড়ে, যাঁর ছায়া বিরাজে, তেমনি এক মহান রাজন, আমাদের নূর নবীজী।। ৫।বুঝগেয়ী জিসকে আগে সবহি মশয়েলে, শামা উয়হ লেকর আয়া, হামারা নবী।। আগমনে যাঁর নিস্প্রভ, সব দীপ শিখার বাতি, এমনি এক নুরের বাতি, নিয়ে এলেন নুর নবীজী।। ৬।জিনকা তলউকা দো বুন্দ হ্যায় আবে হায়াত, হ্যায় উয়হ জানে মসীহা, ...

আল-কোরআন এর আলোকে রাসুলুল্লাহ (সা) কে আল্লাহ প্রদত্ত ইলমে গায়েবঃ

উক্ত পোস্ট এ যা যা আলোচনা করা হয়েছে : পুরু পোস্ট না পড়লে বিভ্রান্তিতে পতিত হবেন।  ১) আল্লাহর ইলমে গায়েবের আয়াত সমুহ। আল্লাহ স্বত্তাগত ভাবে গায়েব জানেন। রাসুলগন আল্লাহর খাস গায়েব (বা সম্পুর্ন গায়েব জানেন না)  ২) আল্লাহ রাসুলুল্লাহ (সা) ও মনোনিত রাসুলগনকে গায়েব জানিয়েছেন। আর এ সংবাদ কখনো ফেরেশতা,কখনো ওহী এবং কখনো আল্লাহ সরাসরি জানিয়েছেন (যেমন: মেরাজ এ)।  ৩) গায়েব সম্পুর্ন জানা এবং নিজে নিজে জানা এটা শুধু প্রভুর শানেই মানায় তাই বলে আল্লাহ যাকে গায়েব জানিয়েছেন তার সেই প্রদত্ত গায়েব তো অস্বীকার করলে আল্লাহ আয়াতকেই অস্বীকার করা হবে তখন কুফর হবে। আর আল্লাহ কতটুকু গায়েব জানিয়েছেন তা আল্লাহ ও রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম) ব্যাতীত কেউ জানে না। ★★★ যেমন : এই ৩ আয়াতে সমগ্র মুলভাব চলে এসেছে :  তিনিই অদৃশ্যের জ্ঞানী, আর তিনি তাঁর অদৃশ্যের জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করেন না কিন্তু তাঁর মনোনীত রাসূল ব্যতীত (তাদেরকে ইচ্ছা অনুযায়ী দান করেন) আর তিনি তখন তার সামনে ও তার পিছনে প্রহরী নিযুক্ত করেন। আল-জিন, ৭২:...