পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মিলাদুন্নবী (সাঃ) সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর [পর্ব ১]

এই পোস্টে যা যা পড়বেনঃ সকল প্রশ্নের জবাব এখানে সংক্ষেপে দেয়া হয়েছে  কারন  অন্য জায়গায়  link গুলোতে  বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ↓ বিস্তারিত এখানে পাবেনঃ মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم কুরআন ও হাদিসের আলোকে-  http://goo.gl/gnGt39 মিলাদুন্নবী (সা) ইমামগন, মুহাদ্দিসিন, মুফাসসিরিন ও মুজাদ্দিদিন গনের দৃষ্টিতে:-   http://goo.gl/vPka7y Eid-Miladunnabi صلى الله عليه و آله وسلم Chelebration over 50 country  http://goo.gl/6hScmz প্রশ্নোত্তরঃ →  Q 1 : ইসলামে জন্মদিন পালন করা কি জায়েজ?  ♦ ♦ ♦ ANS 1 : ইসলামে জন্মদিন পালন শরীয়ত সম্মত হলে জায়েজঃ আমাদের সমাজে অনেক মুসলমান এর ভুল ধারনা রয়েছে তাই প্রশ্ন তুলে যে জন্মদিন পালন করা তো বিদআত। কেন বিদআত? কারণ ইহুদি নাসারাদের বিপরীত করার হুকুম রয়েছে হাদিসে।  উত্তরঃ এর Ans 2টা দিচ্ছিঃ না জন্মদিন পালন করা বিদআত কথাটা ভুল বলতে হবে ইহুদী নাসারাদের মত জন্মদিন পালন করা ঠিক না। বুঝিয়ে বলছিঃ Ans 1) আল-কুরআন থেকে Ans 2) হাদিস অনুযায়ী যুক্...

ঈদে মীলাদুন্নবী (দ:)-সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা ও ভুল বোঝাবুঝিঃ

মূল: ইমাম সাঈদ সোহরাওয়ার্দী, ইসলামিক সুপ্রিম কাউন্সিল কানাডা অনুবাদ: কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন [Bengali translation of Islamic Supreme Council Canada's Online article "Misconceptions and Misunderstandings about Eid Milad-un-Nabi"; part - 1-4] মহান প্রভু আল্লাহর নামে আরম্ভ, যিনি দয়ালু ও দাতা। ঈদে মীলাদুন্নবী (দ:)-সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা ও ভুল বোঝাবুঝি বেশ কিছুদিন যাবত ইসলাম-আতঙ্কে আক্রান্ত একটি গোষ্ঠী ইসলাম সম্পর্কে নেতিবাচক এক ধারণা তৈরির অপচেষ্টায় সক্রিয় রয়েছে। তারা আমাদের মহানবী (দ:) ও কুরআন মজীদকে গালমন্দ করে থাকে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। মহানবী (দ:)-এর প্রতি মিথ্যে অপবাদ দিয়ে তাঁকে আক্রমণ করে থাকে এই চক্র। তাই এসময় মুসলমানদের জন্যে একতাবদ্ধ হওয়া এবং বিদ্বেষ প্রচারকারীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রত্যুত্তর দেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হলো, বর্তমানে মুসলমান সমাজ বহুধা বিভক্ত, এমন কি সেসব আকীদা-বিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠান অনুশীলনের ব্যাপারেও, যেগুলো নিয়ে বিগত ১৩ শতকেরও অধিক সময়ে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কেউই বিরোধিতা করেননি। মুসলিম উম্মাহ’র মৌলি...

ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ) এর শান দেখে যারা ঘেউ ঘেউ করে তারা যেন এই লিখা গুলো পড়েঃ

ছবি

ইমামে আযম আবু হানিফা (রহঃ) এর হাদীসের সবচেয়ে উচুঁ সনদ হল উহাদিয়্যাতঃ

ইমাম আযম  আবু হানিফা রহ এর হাদীসের সবচেয়ে উচুঁ সনদ  "উহাদিয়্যাত" উসুলে হাদীস তথা হাদীসের মুলনীতিতে উচুঁ সনদের দিক থেকে "উহাদিয়্যাত" এর একটি প্রকার রয়েছে। আর উহাদিয়্যাত ঐ সমস্ত হাদীস কে বলা হয়, যাতে হাদীস বর্ননাকারী কারো মাধ্যম ছাড়া কোন সাহাবী রা: থেকে হাদীস বর্ণনা করেন।  আর তা তখনি সম্ভব যখন তিনি তাবেয়ী (সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎকারী) হবেন এবং সরসরি সাহাবী থেকে হাদীস বর্ণনা করেন এবং মাঝখানে কোন মাধ্যমে না হয়। সুতরাং উহাদিয়্যাতের এই দুর্লভ ও উন্নত পর্যায়ে ইমাম আযম আবু হানীফা রহ ছাড়া অন্য কোন মাহাদ্দিছ তার সমকক্ষ নেই।  উহাদিয়্যাত এর এই উচুঁ প্রকারের মাঝে তিনি একা।  ইমাম আল  খাওয়ারেযমী রহঃ এর বর্ননা অনুসারে হযরত ইমাম আবু হানীফা রহ ছয়জন সাহাবী এবং একজন সাহাবীয়া থেকে হাদীস রেওয়ায়েত করেছেন এবং তা হল এরুপ :-  ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻋﻦ ﺍﻧﺲ ﺑﻦ ﻣﺎﻟﻚ ﺭﺽ، ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻧﻴﺲ ﺭﺽ . ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺹ .. ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺍﻟﺤﺎﺭﺙ ﺭﺽ . ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺹ .. ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺭﺽ . ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺹ .. ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﻨﻴ...

ইমামে আজম (রহঃ) তাবেয়ী হওয়ার ব্যাপারে ২১ জন ইমামের বিবৃতিঃ

ছবি

ইমামে আজম (রহঃ) এর যুগে ২২ জন সাহাবী জীবিত ছিলেনঃ

ছবি

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) সাহাবীগনের সাক্ষাত পেয়েছিলেন এ সম্পর্কে ইমামগনের বিবৃতিঃ

ছবি

ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ) এর উঁচুমানের ফিকহী মানসের বর্ননাঃ

ছবি