পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাসীরুদ্দিন আলবানীর ভ্রান্ত আকিদা ও মুখোশ উন্মোচনঃ (পর্ব ২)

ছবি
তাবেয়ী ইবনে সিরিন (রহঃ) বলেছেন, إنَّ هذا العلم دين ؛ فانظروا عمَّن تأخذون دينكم “নিশ্চয় এই ইলম দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত। সুতরাং লক্ষ্য রেখো! কার নিকট থেকে তুমি তোমার দ্বীন গ্রহণ করছো” আলবানী সাহেবের তাহকীকের প্রকৃত অবস্থা: আলবানীর  মত পরিবর্তনঃ   একবার এক হাদিসকে সহিহ বলে পরে দুর্বল বলে আবার দুর্বলকে সহিহ বলে , আবার অনির্ভরযোগ্য রাবীকে নির্ভরযোগ্য বলে, নির্ভরযোগ্যকে অনির্ভরযোগ্য বলে। ১. উদা বিন হাসান উদা ৫০০ হাদীসের একটি সঙ্কলন বের করেছেন। এই কিতাবে যে ৫০০ হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে, এগুলো মুলত: আলবানী সাহেবের তারাজু বা পূর্বের মতামত থেকে ফিরে আসার ব্যাপারে আালোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ আলবানী সাহেব পূর্বে একটা হাদীসকে সহীহ বলেছেন, পরে মত পরিবর্তন করে সেটাকে যয়ীফ বলেছেন। এধরনের রুজু দু’একটি হাদীসে ঘটেনি। এখানে মোট পাচ শ হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে। এই কিতাবটি আলবানী সাহেব এর নিজস্ব ওযেস সাইট আলবানী ডট নেটে পাওয়া যাবে। http://www.alalbany.net ২. আবুল হাসান মুহাম্মাদ হাসান আশ-শাযখ্র আলবানী সাহেব এর রুজু বা পূর্বের মতামত থেকে প্রত্যাবর্তনের উপর একটি সঙ্কলন বের করেছন। এখানেও ৩০০ এর বেশি...

নাসীরুদ্দিন আলবানীর ভ্রান্ত আকিদা ও মুখোশ উন্মোচনঃ (পর্ব ১)

ছবি
তাবেয়ী ইবনে সিরিন (রহঃ) বলেছেন, إنَّ هذا العلم دين ؛ فانظروا عمَّن تأخذون دينكم “নিশ্চয় এই ইলম দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত। সুতরাং লক্ষ্য রেখো! কার নিকট থেকে তুমি তোমার দ্বীন গ্রহণ করছো” আধুনিক আহলে হাদীস দলের অন্যতম বক্তা ডঃ জাকির নায়েক ও মতিউর রহমান মাদানী তাদের অন্যতম গুরু, নেতা ও শাইখ হল এই নাসিরুদ্দিন আলবানী। জাকির নায়েকের আকিদা ও রিসার্চ মুলত আলবানীর আকিদা ও বই পুস্তক অনুসারে। যেমনঃ আলবানী যে হাদিস দুর্বল কিংবা জাল বলেছে তাকে অন্যান্য মুহাদ্দিসগন সহিহ বললেও জাকির নায়েক আলবানীকেই সমর্থন দিয়ে থাকে। এ  আহলে হাদীসকে সালাফী নামে পরিচয়দানকারী হলো নাসির উদ্দিন আলবানী। ডাক নাম আবু আবদুর রহমান। ইউরোপ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ আলবেনীয়ায় জন্ম হওয়ায় তাকে আলবানী বলা হয়। তিনি ১৩৩৩ হিজরী মোতাবেক ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে আলবেনীয়ার রাজধানী স্কোডার ( Shkoder বর্তমান নাম তিরানা) এ জন্ম গ্রহন করেন।  →→ তার পরিবার ছিল দরিদ্র। তার পিতা ছিল হানাফী মাযহাব অনুসরণকারী। আলবেনিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ জাগু নারীদের পর্দা নিষিদ্ধ করলে শিশু আলবানীকে নিয়ে তার পিতা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে চলে আসেন। →→  আলব...

সাহাবীদের যামানায় নামাজের পর সম্মিলিত মুনাজাতঃ

ছবি
(শেয়ার / কপি করার বিনীত অনুরোধ) ________________________________________ ইমাম আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল ফাকিহী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ফজরের সালাতের পর (মক্কা শরীফে) মসজিদে হারামে ওয়ায়েজ (যিনি কোর’আন, হাদীস থেকে বিভিন্ন কিসসা বর্ণনা করতেন) দাঁড়িয়ে যেতেন এবং আল্লাহর যিকির করতেন এবং দোয়া করতেন এবং (উপস্থিত) মানুষ আমিন আমিন বলতেন। আর এটা হত মাকামে ইবরাহীমের পেছনে , ইমামের সালাম ফেরানোর পর। আর এটা সর্বপ্রথম শুরু করেছিলেন উবাইদ বিন উমাইর বিন কাতাদাহ আল লাইছি রাদিয়াল্লাহু আনহু।এরপর থেকে এ আমল চলছিল। রেফারেন্সঃ আখবারু মাক্কাহ লিল ফাকিহী-২/৩৮৮ উবাইদ বিন উমাইর বিন কাতাদাহ আল লাইছির পরিচিতিঃ যিনি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট ওয়ায়েজ এবং মুফাসসির। তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য তাবেয়ীগণের একজন। সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর মজলিসে বসতেন। রেফারেন্সঃ সিয়ারু আ’লামিন নুবালা-৪/১৫৬ আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল ফাকিহীর পরিচিতিঃ ইমাম যাহাবী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর সম্পর্কে বলেন, তিনি একজন ইমাম ছিলেন। তিনি ছিলে...

সাহাবায়ে কেরামের যুগে নামাজের পর সম্মিলিত দোয়াঃ

ছবি
(কপি / শেয়ার করবেন) ____________________________ সাহাবীর পরিচয়ঃ ____________  আল আলা বিন আল হাদরামী রাদিয়াল্লাহু আনহু । উনি এমন এক সাহাবী ছিলেন যাকে মুসতাজাবুদ দা’ওয়াহ বলা হত কারণ তিনি দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করতেন। আলোচনাঃ _______________________  ঘটনা সংক্ষেপ করে মূল কথাটি বলার চেস্টা করছি। হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু এর খেলাফত আমলে মুরতাদদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য হযরত আলা হাযরামী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মুজাহিদদের কমান্ডার বানিয়ে বাহরাইন পাঠালেন। একটি শুষ্ক ময়দান অতিক্রম করার সময় সকলে প্রচন্ড পিপাসার্ত হয়ে পরলেন। সবার পাত্র খালি। পানি নেই। দাহনা নামক স্থানে সকলে রাত্রি যাপন করলেন। এক পর্যায়ে আলা বিন আল হাযরামী রাদিয়াল্লাহু আনহু সকলকে ডাকলেন। হযরত আবু হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু ও তাদের সাথে ছিলেন। সবাই তখন চিন্তায় কাতর ছিলেন। আলা রাদিয়াল্লাহু আনহু সবাইকে শান্তনা দিলেন, বললেন, তোমরা মুসলমান। আল্লাহর পথে বের হয়েছো। আল্লাহর কসম, তোমরা কখনো লাঞ্ছিত হবেনা। ফজরের সময় হলো।  সকল সাহাবায়ে কেরাম তায়াম্মুম করে ( তায়াম্মুমের কথাটি ইমতাউল আসমা কিতাবে র...

ফরজ নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাত কি বিদআত?

ছবি
প্রশ্নঃ ১)ফজরের নামাজের পর সুরা হাশরের যে আয়াত গুলো পাঠ করা হয় তার একটি প্রচলিত পদ্ধতি হলো ইমাম পিছন ফিরে বসে দোয়া দরুদের পর উচ্চস্বরে আয়াত গুলো একটু একটু করে পাঠ করে আর মুসল্লীরা শুনে শুনে পরমুহুর্তে পাঠ করেl এটা কি শরীয়ত সম্মত পদ্ধতি ? ২) (ক) জামাতের সাথে ফরজ নামাজের পর যে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা হয় তা কি শরীয়ত সম্মত? (খ) রাসুল স: বা সাহাবাগণ কি এমনটা করতেন? [বি:দ্র: আমি কোন ইমামকে কখনোই মুনাজাত ছাড়তে দেখিনিl এটা সম্ভবত অনেকেই আবশ্যক মনে করে] উত্তর وعليكم السلام ورحنة الله وبركاته بسم الله الرحمن الرحيم ১ম প্রশ্নের জবাব এতে খারাপের কিছুই নেই। এটি ইমাম সাহেবগণ করে থাকেন মুসল্লিদের শিক্ষাদানের জন্য। কারণ অনেক মুসল্লিই সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়তে জানে না। তাই ইমাম সাহেব এভাবে বলে বলে পড়িয়ে দেন। সুতরাং এটি নাজায়েজ হবার কোন শরয়ী কারণই বিদ্যমান নেই। ২য় প্রশ্নের জবাব ফরজ নামাযের পর মুনাজাতের বিষয় বুঝতে হলে তিনটি পয়েন্ট ভাল করে বুঝতে হবে। যথা- ১ ফরজ নামাযের পর মুনাজাত প্রমাণিত কি না? ২ সম্মিলিত মুনাজাত প্রমাণিত কি না? ৩ ফরজ নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাতের হুকুম কী? ১ম বিষয়...

সম্মিলিত ভাবে দোয়া করা কি শরীয়তস্মত নাকি বিদাত?

ছবি
তারাবীহ এর সালাতে খতমে কোর'আনের পর এর পর নামাজের ভেতর দোয়া করাঃ  তারাবীহ এর সালাতে খতমে কোর'আনের পর এর পর নামাজের ভেতর দোয়া করাঃ  (শেয়ার / কপি করার অনুরোধ থাকলো) __________________________  আপনারা সকলে জানেন, বিশেষ করে মক্কা মুকাররামায় মসজিদে হারামে এবং মদীনা মুনাওওয়ারায় মসজিদে নববীতে রামাদান মাসে খতমে তারাবীহ/ খতমে কোর’আনের পর ইমাম সাহেব নামাজের ভেতর দীর্ঘ দোয়া করে থাকেন।  প্রশ্ন হচ্ছে, সালাতে খতমে কোর’আনের পর এভাবে দোয়া করার দলীল কী? এরকম দোয়া কি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম করেছেন? উত্তরঃ জী না। করেন নাই। প্রশ্ন হচ্ছে, এ রকম দোয়া কি সাহাবায়ে কেরাম করেছেন?  উত্তর জী না। কোন প্রমাণ নেই। মূলতঃ এই উত্তরগুলো কিন্তু লা-মাযহাবীদের শয়েখদের নিকট থেকে সংগ্রহ করে বলছি। তার মানে এটা লা-মাযহাবী, নামধারী আহলে হাদীসদের নিকট পরিস্কার বেদ’আত।  সউদী গ্র্যান্ড মুফতী বিন বাযের ফতোয়াঃ  সঊদী আরবের ফতোয়া বিভাগের সাবেক প্রধান মুফতী, লা-মাযহাবীদের এই দাবী মেনে নিয়েই তারপর ফতোয়া দিয়েছেন, যদিও এর প্রমাণ সরাসরি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ...

বিশ্বের বিভিন্নস্থানে ২৫ জন নবীর মাজারের ছবি:

ছবি
হজরত আবু জর গিফারি (রা.) প্রিয় নবী (সা.) কে প্রশ্ন করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! পয়গম্বরদের সংখ্যা কত? তিনি জবাব দিলেন, ১ লাখ ২৪ হাজার। তাদের মধ্যে ৩১৫ জন হচ্ছেন রাসূল। (আহমদ ও শরহে মাকাসিদ)। তবে আল কোরআনে যেসব পয়গম্বরের নাম উল্লেখ হয়েছে, তাদের সংখ্যা মাত্র ২৫ জন। তাদের কারও কারও আলোচনা বিভিন্ন সূরায় একাধিক জাগায় স্থান পেয়েছে। আবার কারও কারও নামে সূরার নামকরণ করা হয়েছে। এর সংখ্যা মাত্র ৫টি। কোরআনুল কারিম যেহেতু হেদায়েতের বাণী ও উপদেশগ্রন্থ, তাই অতীতকালের জাতি ও সম্প্রদায়ের ঘটনাবলি, তাদের ভালো-মন্দ আমল ও তার পরিণতি বর্ণনার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ধারা বর্ণনাপদ্ধতি অবলম্বন করা হয়নি। বরং সত্য প্রচারের লক্ষ্যে দাওয়াত প্রদানের মুখ্যতম পন্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে প্রাচীনকালের সম্প্রদায় ও তাদের প্রতি প্রেরিত পয়গম্বরদের আলোচনা বারবার শ্রবণ করার ফলে শ্রোতাদের অন্তরে দৃঢ়ভাবে গেঁথে যেতে পারে এবং তা শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বেশ উপযোগীও বটে। কোরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবীর নাম হলো- ১. হজরত আদম (আ.), মোট ৯টি সূরায় ২৫ জায়গায় তার নাম উল্লেখ হয়েছে।  ২. হজরত ইদ্রিস (আ.), দুটি সূরায় দু’বার উল্লেখ হ...

রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর গোলাম বা পীরের গোলাম বলা কি জায়েজ নাকি শিরিক?

আমাদের সমাজে কিছু মানুষ ওহাবী সালাফীদের কথা শুনে নাচানাচি শুরু করে অথচ তারা কিছু যাচাই বাছাই না করেই একজনকে শিরিক কুফরের অপবাদ দিয়ে দেয় যার পাপ উল্টা তার কাধে পরে। অনেকেই প্রশ্ন করে, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর গোলাম বা পীরের গোলাম বলা কি জায়েজ নাকি শিরিক? উত্তরঃ গোলাম ( غلام ) শব্দের আরবী প্রতিশব্দ হল, خادم (সেবক), عامل (কর্মচারী) প্রভৃতি। অতএব রাসূলের গোলাম  বা পীরের গোলাম বা খাদেম, কর্মচারী, সেবক বলাতে কোন আপত্তি নেই। যেমন,  ♦ মুসলিম শরীফের ২য় খন্ডের كتاب الالفاظ من الادب -এ বর্ণিত হয়েছে যেঃ- لايقولن احدكم عبدي وامتي كلكم عبيد الله وكل نساءكم اماء الله ولكن ليقل غلامي وجاريتي অর্থাৎ, নবীজী ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কেউ عبدي (আমার বান্দাহ) বলোনা। তোমরা সবাই আল্লাহ’র বান্দাহ এবং তোমাদের সকল মহিলারা আল্লাহ’র বান্দী। কিন্তু আমার গোলাম আমার চাকরানী বলতে পার। ★ সহিহ মুসলিম, আধ্যায় : ৪১ : শব্দচয়ণ ও শব্দ প্রয়োগে শিষ্টাচার : ৫৬৮১।  ইফাঃ...

মাযারে সিজদা করা কি শিরিক নাকি হারাম? কদম্বুচি কি শিরিক নাকি সুন্নাহঃ

সম্মানার্থে হাতে ও কদমে চুম্বন করা সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত  কিন্তু সিজদায়ে তাজমী হারাম তথা কবীরা গুনাহ তবে শিরিক নয়ঃ Written by (Masum Billah Sunny) এ সম্পর্কে বহু হাদিস আছে। এক কথায় বলা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে হিজরি ১৪শ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ আ'লা হযরত ইমাম আহাম্মদ রেজা খান বেরলভী (রহঃ) এর লিখিত সিজদায়ে তাজিমী বইটাতে অসাধারণ লিখেছেন অগনিত হাদিসের রেফারেন্স সহ সমস্ত সুত্র সনদসহ বর্ননা করেছেন।  Download this book → ♦ আলা হজরত শাহ আহমেদ রেযা খান বেরলভি (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বিরচিত "হুরমতে সিজদায় তাজিম" পুস্তকখানির বাংলায় "তাজিমি সিজদাহ" নামকরণ করে প্রকাশ করা হয়েছে। http://www.mediafire.com/?33dake3ttuq7kro তাই এ ব্যাপারে ওনার আকিদাই আমাদের আকিদাঃ ↓ সিজদা ২ প্রকারঃ 1) সিজদায়ে ইবাদতী 2) সিজদায়ে তাজিমী SIZDAYE IBADATI ©© ® তোমরা আল্লাহর জন্য সিজদা কর এবং তাঁরই ইবাদত কর। [সাজদাহ] আন-নাজম, ৫৩/৬২ ® নিশ্চয় যারা (অর্থাৎ ফেরেশতা) তোমার রবের নিকট আছে তারা তাঁর ইবাদাতের ব্যাপারে অহঙ্কার করে না এবং তারা তাঁরই গুণগান ও মহিমা প্রকাশ করে এবং তাঁরই সম্মুখে সাজদ...