পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়াঃ(হাদিসের আলোকে)

ছবি

শাফেয়ী মাযহাবে ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়ার ফতোয়াঃ

ছবি
শাফেয়ী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত ইমাম, হাফিযুল হাদিস আন- নাওয়াওয়ী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ইমাম এবং মুক্তাদীর দোয়া করা সর্বসম্মতিক্রমে মুসতাহাব। তিনি একাকী নামাজ আদায় কারী পুরুষ, নারী, মুসাফির এবং অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও দোয়া করাকে মুস্তাহাব বলেছেন। তিন আরো বলেন, মুসতাহাব তারীকা হচ্ছে, ফরজ নামাজ শেষে ইমাম সাহেব মুক্তাদীর দিকে মুখ করে বসবেন এবং দোয়া করবেন। রেফারেন্সঃ আল-মাজমু’ খন্ড- ৩ পেইজ নাম্বার- ৪৬৫,৪৬৯ এবার কি বিশ্ব বিখ্যাত এই হাফিযুল হাদীসকে বেদ'আতী বলবেন? কারণ, তিনি যে ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত দোয়া মুসতাহাব ফতোয়া দিয়ে দিলেন! _______________ বিঃ দ্রঃ ফরজ নামাজের পর ইমাম সাহেবের মুখ ফেরানো, কিংবা কোন কোন সালাতের পর বা সকল সালাতের পর এভাবে মুখ ফিরিয়ে সম্মিলিত দোয়া -- এনিয়ে ইমামগণের মধ্যে এখতেলাফ রয়েছে। কিন্তু সকলেই মুল/ আসল অর্থাৎ ফরজ সালাতের পর সম্মিলিত দোয়ার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। মুস্তাহাব বলেছেন। ______________ লেখাটি কপি শেয়ার করুন। (কলম সৈনিক)

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর চোর ধরার ১টি মজার কাহিনীঃ

ইমাম আযম আবু হানিফা রহঃ এর এক প্রতিবেশীর ময়ূর চুরি হয়ে ছিল । সে ইমাম আযমের কাছে এ ঘটনা বললো । ইমাম আযম ওকে বললেন, তুমি এ কথা আর কাউকে বলিও না । ইমাম আযম মসজিদে গেলেন । যখন সব লোক নামাযের জন্য জমায়েত হলো, ইমাম আযম দাঁড়িয়ে বললেন, বড় লজ্জার বিষয়, প্রতিবেশীর ময়ূর চুরি করে এমন অবস্থায় নামায পড়তে আসল ওর মাথায় এখনও ময়ূরের পালক রয়েছে । এ কথা শুনা মাত্র এক ব্যক্তি স্বীয় মাথায় হাত দিল এবং মাথা লুকাতে চেষ্টা করলো । ইমাম আযম লোকটিকে বললেন, ওর ময়ূর তুমিই চুরি করেছ । লোকটি স্বীকার করলো এবং ময়ূরটি ফেরত দিয়ে দিল ।  [সূত্রঃ খায়রাতুল হাসান ১০২ পৃষ্ঠা]

রাসুল (সাঃ) এর শালিনতা ও ওনার কারণে আবূ তালিবের পরিবারে খাদ্যে বরকতঃ

★ যরত রাসূলুল্লাহ্ (সা) নিজে বর্ণনা করেন-শৈশবে কুরায়শী বালকদের সাথে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতাম। তন্মধ্যে বড় বড় পাথর একস্থান থেকে অন্যস্থান সরিয়ে নিয়ে যাওয়া একটা খেলা ছিল। এ খেলা খেলতে গিয়ে প্রায় সকল বালকই উলঙ্গ হয়ে যেত। পরনের কাপড় কাঁধে দিয়ে পাথর বহন করত। আমি সময় সময় এরুপ উলঙ্গ হওয়ার উপক্রম করতাম। এ সময় অদৃশ্য কোন শক্তি আমাকে ঘুষি মারত। তাতে বেশ ব্যথা পেতাম এবং বলত, ‘চাদের পরে ফেলো।’ আমি শক্ত করে চাদর বেঁধে পরতাম। এভাবে সকল বালকের মাঝে কেবল আমি চাদরপরা খালি কাঁধে পাথর বহন করতাম। (ইবন ইসহাক) ★ হযরত ইব্ন আব্বাস ও মুজাহিদ থেকে বর্ণিত আছে যে, আবূ তালিবেরা সকালে একত্রে বসে বা আলদা আলদা যখন আহার করত তাদের পেট ভরত না। (কারণ আবূ তালিবের পরিবারের লোকসংখ্যা ছিল বেশি, আর তিনি কখনও সচ্ছল ছিলেন না।) কিন্তু রাসূল (সা) যখন তাদের সাথে বসে আহার করতেন তখন সকলেরই পেট ভরে যেত। সেজন্য সকাল কিংবা সন্ধ্যায় খাওয়ার সময় হলে আবূ তালিব বলতেন- অপেক্ষা করো, আমার বাছা আসুক। তারপর রাসূল (সা) আসলে সকালে একসাথে আহার করতেন। তখন সকালের পেট তো ভরতই, খাদ্য বেঁচেও যেত। আর তিনি খাদ্যে অংশগ্রহণ না করলে সকালে ...

পারস্য রাজপ্রসাদের গম্বুজ ভূমিসাৎঃ

হযরত ওয়াহাক ইব্ন মুনাব্বিহ বর্ণনা করেন-যখন আল্লাহ্ পাক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে প্রেরণ করলেন, তখন পারস্য সম্রাট সকালবেলা দেখলেন , তাঁর প্রাসাদের গম্বুজ ভূমিসাৎ হয়ে গেছে এবং দজলা নদীর স্রোত বন্ধ হয়ে আছে। এতে সম্রাট অত্যন্ত বিচলিত হলেন। গণক, জ্যোতির্বিদ এবং জাদুকরদের দরবারে তলব করে বললেন, ব্যাপারটি কি, চিন্তা-ভাবনা করো।’ তারা নিজেদের জ্ঞান ও সাধনা দ্বারা জানতে চেষ্টা করতে গিয়ে দেখল, আকাশের চারপাশ বন্ধ। যে পথে ওরা এসব এতদিন জানতে পারত সে পথ অন্ধকার। তারা নিজেদের শাস্ত্রে ব্যর্থ হয়ে অপমানিত হয়ে গেল। এমনকি কোন জাদুকরের জাদু, অতীন্দ্রিয় কৌশল এবং জ্যোতিষীর গণনা কিছুই কার্যকর রইল না। (সীরাতে ইব্ন ইসহাক)

রাসুলুল্লাহ (দুরুদ) ওনাকে গাছ ও পাথরের সালামঃ

★ নবুওয়াতপ্রাপ্তির প্রাক্কালে মুহাম্মদ (সা)-এর অবস্থা কিছু ভিন্ন হয়ে গেল। নির্জনতা ভাল লাগত। লোক-কোলাহলে অস্থিরতা বোধ করতেন। অন্তরে এক ধরনের শূন্যতা ও অপূর্ণতাবোধ তাঁকে আকুল করে রাখতো । তাই মাঝে মাঝে লোকালয় ছেড়ে দূরে মক্কার উপকন্ঠে জনবিরল পার্বত্য উপত্যকায় বা বিস্তীর্ণ সমভূমির দিকে তিনি চলে যেতেন। কোন গাছ বা পাথরের পাশ দিয়ে যখন তিনি অতিক্রম করতেন, সেগুলো তাঁকে সালাম দিত। আওয়াজ হতো- আস্সালামু আলাইকুম ইয়া রাসূলাল্লাহ। কোথা থেকে এ আওয়াজ ও সালাম আসে, কে দেয় দেখার জন্য তিনি চারদিকে চোখ ফেরাতেন, খুঁজতেন। কিন্তু শুধু গাছ বা পাথর ব্যতীত কিছুই তাঁর চোখে পড়ত না। এভাবে যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা হতো তিনি দাঁড়িয়ে থাকতেন। চারদিকে দেখতেন এবং শুনতেন। তারপর এক রমযান মাসে যখন তিনি হেরার গুহায় ধ্যানে মগ্ন ছিলেন, আল্লাহ্ তা’আলার তরফ থেকে সম্মান ও মর্যদার বাণী ওহী নিয়ে জিবরাঈল আমীন (আ) আসলেন তাঁর কাছে। (ইব্ন ইসহাক) ★ বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনা মতে- রাসূল (সা) নিজেই ইরশাদ করেনঃ মক্কায় একটি পাথরকে আমার চেনা আছে, ওহী আসার আগে সেটি আমায় সালাম দিত। হাদীসের কোন গ্রন্থে এরুপ আছে যে, সেই পাথরটি ছিল হাজার...

'উম্মী' শব্দের অর্থ ও তাৎপর্যঃ

আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন- اَلَّذِيْنَ يَتَّبِعُوْنَ الرَّسُوْلَ النَّبِىَّ الْاُمِّىَّ الَّذِيْنَ يَجِدُوْنَهُ مَكْتُوْبًا عِنْدَهُمْ فِىْ التَّوْرَاةِ وَالْاِنْجِيْلِ يَأْمُرُهُمْ بِالْمَعْرُوْفِ وَيَنْهَهُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ لَهُمْ الطَّيِّبَتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمْ الْخَبَائِثُ وَيَضَعُ عَنْهُمْ اِصْرَهُمْ وَالْاَغْلَلَ الَّتِىْ كَانَتْ عَلَيْهِمْ ط فَالَّذِيْنَ اَمَنُوْا بِهِ وَعَزَّرُوْهُ وَنَصَرُوْهُ وَاتَّبَعُو النُّوْرَ الَّذِيْنَ اُنْزِلَ مَعَهُ اُولَئِكَ هُمْ الْمُفْلِحُوْنَ (১৫৭ سوره الاعراف: اية) তরজমা: ওই সব লোক, যারা দাসত্ব করবে এ রসূল, পড়া বিহীন অদৃশ্যের সংবাদ দাতার যাকে লিপিবদ্ধ পাবে নিজের নিকট তাওরীত ও ইঞ্জীলের মধ্যে; আর পবিত্র বস্তু সমূহ তাদের জন্য হালাল করবেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ তাদের উপর হারাম করবেন; এবং তাদের উপর থেকে ওই কঠিন কষ্টের বোঝা ও গলার শৃঙ্খল, যা তাদের উপর ছিলো, নামিয়ে অপসারিত করবেন। সুতরাং ওইসব লোক, যারা তাঁর উপর ঈমান এসেছে, তাকে সম্মান করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং ওই নূরের অনুসরণ করেছে, যা তাঁর সাথে অবতীর্ণ হয়েছে তারাই সফলকাম হয়েছে। — সূরা আ’রা...

জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত ১০ সাহাবীর নামঃ

ছবি
পবিত্র কোরআনের অন্যত্র আল্লাহ তাআলা তাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করে বলেন : ‘মুহাজির ও আনছারগণের মধ্যে অগ্রবর্তী সাহাবীগণ এবং কল্যাণকর্মের মাধ্যমে তাদের অনুসারীগণের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়েছেন। আর তারাও তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন।’ (আত-তাওবাহ ১০০) সাহাবিদের প্রশংসায় রাসুল (সা) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে তারাই সব চাইতে নেক লোক যাদের মাঝে আমি প্রেরিত হয়েছি।’ অন্য বর্ণনায়, রাসুল (সা) বলেছেন: ‘সবচাইতে সেরা মানব আমার সাহাবাগণ।’ আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, ‘তোমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিদের গালাগাল করো না। কেননা তাদের এক মুহূর্তের (ইবাদতের) মর্যাদা তোমাদের প্রত্যেকের জীবনের আমলের চেয়ে বেশি।’ (ইবন মাজা : ১৬২) তবে সাহাবাগণের মধ্যে এমন দশ সাহাবা রয়েছেন, যারা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবি বলে পরিচিত। আরবি আশারা শব্দের অর্থ দশ। আর মুবাশশারা শব্দের অর্থ সুসংবাদপ্রাপ্ত। অর্থাৎ যারা দুনিয়ায় বেহেশেতের সুসংবাদ পেয়েছে তাদের আশারায়ে মুবাশশারা বা বেহেশেতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবি বলা হয়। তাদের সম্পূর্ণ তালিকা হলো: – হযরত আবূ...

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জানাযাঃ

ইবনে মাজাহ শরিফে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মঙ্গলবার সাহাবায়ে কেরাম রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম.-এর গোসল ও কাফনের কাজ শেষ করেন। নবীজির দেহ মোবারক রওজার পাশে রাখেন। সাহাবারা দল দলে নবীজির কাছে আসতে থাকেন। কারও ইমামতিতে নয়; সবাই একা একা নামাজ ও দুরুদ শেষে বেরিয়ে যান। ইবনে মাজাহ অন্য কিতাবে আছে, রাসুল সা.-এর ইন্তেকাল এক আগে সাহাবিরা নবীজির দরবারে আসলেন। সাহাবাদের দেখে নবীজির চোখে বেদনার জল। নবীজি বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহর কাছে সোপর্দ করছি, আল্লাহ তোমাদের সঙ্গী হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম.! আপনার যাওয়ার সময় খুব নিকটে চলে এসেছে, আপনার ইন্তেকালের পর আপনাকে কে গোসল দিবে? রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম. বললেন, আমার আহলে বাইত মানে আমার পরিবারের সদস্যরা। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন, কে আপনাকে কাফন পরাবে? রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আআলাইহী ওয়া সাল্লাম. বললেন, আমার আহলে বাইত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আবার জানতে চাইলেন কে আপনাকে কবরে নামাবে? রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয...

অশ্লীল হিজাবধারী নারীদের উদ্দেশ্যে নুরনবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হুঁশিয়ারিঃ

ছবি
→→©  আবূ হুরায়ররা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, একটি হাদিসে বিশ্বনবী (সা.) কড়া ভাবে বলেছেন, ‘জাহান্নামবাসী দুটি দল রয়েছে। যাদেরকে আমি এখনো দেখিনি। একদল এমন লোক যাদের হাতে গরুর লেজের মত লাঠি থাকবে যা দিয়ে তারা লোকদেরকে প্রহার করবে। আর অন্য দল এমন নারী যারা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকে। তারা অন্যদের তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে নিজেরাও অন্যদের প্রতি ঝুঁকবে। তাদের মস্তক উটের পিঠের কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এমনকি জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ এর ঘ্রাণ এত এত দূর থেকেও পাওয়া যায়।’ [মুসলিম : ২১২৮]

আল-হাদিস ও বিজ্ঞানঃ

ছবি
MEDICAL science is totally impossible without research the holy AL-QURAN & HADITH : ............. মুমিনদের মৃত্যুর পর তাদের রূহ আসমানে চলে যায় এবং শরীর মাটিতে খেয়ে নেয়। তবে নবীগন ও অলীগন ওনাদের কবরে জীবিত অবস্থায় আছেন। ★ রাসূল (ছাঃ) বলেন, আদমের সকল সন্তানকে মাটিতে খেয়ে নিবে শুধু তার মেরুদন্ডের সর্বনিম্ন হাড্ডি (عَجْبُ الذَّنَبِ) ব্যতীত। কারণ তা থেকেই তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তা থেকেই তাদের দেহ পুনর্গঠন করা হবে।’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৫২১)

আল-কোরআনে বর্নিত শব্দ সমুহই পবিত্র কুরআনের সত্যতার এক মহা নিদর্শনঃ

কুরআনেঃ- ১.পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার, নারী শব্দটা এসেছে ২৪ বার ২.আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার, নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার ৩.হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার, হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার ৪.জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার, জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার ৫.দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার, আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার ৬.ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার,শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার ৭.জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার, মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার ৮. উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার, ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার ৯.মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার, রাসূল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার ১০.যাকাত শব্দটা এসেছে ৩২ বার, বরকত শব্দটা এসেছে ৩২ বার ১১.জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার, উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার ১২.মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার, দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার অতএব, এটা নির্দিধায় বলা যায় যে, মহাগ্রন্থ আল কুরআন কোন মানুষের বানানো নয় বরং এটা মহান স্রষ্টা আল্লাহরাব্বুলআলামীনের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। মুক্তির পথ। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

আল-কোরআন ও বিজ্ঞানঃ

ছবি
মানব ও জীব সৃষ্টিতত্ত্বঃ পানি থেকে জীব সৃষ্টিঃ ★ মানুষ সৃষ্টি পানি দিয়ে।[সুরা ফুরকান;৫৪]- আধুনিক বিজ্ঞান এটার সাথে একমত । ★  আল্লাহ সমস্ত জীব-জন্তু সৃষ্টি করেছেন পানি দিয়ে।[সুরা নুর;৪৫]-বিজ্ঞান ও এই কথাই বলছে। ★ সুরা আম্বিয়া (২১) ৩০ নং আয়াত – প্রানবান সবকিছু সৃস্টি করলাম পানি হতে তবুও কি তারা বিশ্বাস করবে না?  মানুষের সৃষ্টি (A)  ★ সুরা মোমেনুন (২৩) ১২ নং আয়াত আল্লাহ বলেছেন – আমি তো মানুষকে সৃস্টি করেছি মৃত্তিকার মুল উপাদন থেকে।  ★ সুরা সাজদাহ (৩২) ৭,৮ নং আয়াত আল্লাহ বলেছেন – যিনি তার সকল কিছু সৃজন করেছেন উত্তম রুপে এবং কাদা মাটি হতে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন।অতঃপর তার বংশ উৎপন্ন করেছেন তুচ্ছ তরল পর্দাথের নির্যাস থেকে।  ★ সুরা সোয়াদ (৩৮)৭১ নং আয়াত- আল্লাহ বলেছেন – আমি মানুষকে সৃস্টি করেছি মাটি হতে ।  ★ সুরা ফুরকান (২৫) ৫৪ নং আয়াত আল্লাহ বলেছেন -আমি তোমাদের সৃস্টি করেছি পানি হতে।  মানুষের সৃস্টি মাটি ও পানি হতে এবং আল্লাহই সৃস্টি করেছেন।  _____ ★  ভ্রুন দেখতে জোঁকের মত। [সুরা আলাক;১-২]- বর্তমান বিজ্ঞান এর সাথে একমত । প্রফেসর কিথমুর এট...