পোস্টগুলি

মার্চ, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

টয়লেটে কুলুখ নেয়ার পর পানি ব্যবহার করাঃ

লিখেছেন : কলম সৈনিক আহলে হাদীস সর্দার মুজাফফর বিন মুহসিন নামক উদ্ভট মুফতী বলেছেন, পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ নেয়া শরিয়ত সম্মত নয়। কুলুখ নেয়ার পর পানি ব্যবহার সম্পর্কিত যে হাদীস বর্ণনা করা হয়, তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। বেচারা আরো বলেন, “সুতরাং সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত উক্ত মিথ্যা প্রথাকে অবশ্যই উচ্ছেদ করতে হবে। পানি থাকা অবস্থায় যেন কোন স্থানে কুলুখের স্তুপ সৃষ্টি না হয়”। দেখুন, জাল হাদীসের কবলে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সালাত/৩৯ জবাবঃ কুলুখ ব্যবহার করে পানি নেয়া সংক্রান্ত সহীহ হাদীসঃ ___________________________ হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের পূর্ববর্তীরা শক্ত পায়খানা করতো। আর তোমরা কর নরম ভাবে। সুতরাং তোমরা পাথর (কুলুখ) ব্যবহার করে তারপর পানি ব্যবহার কর। রেফারেন্সঃ আস সুনানুল কুবরা, মুসান্নাফ ইবনি আবী শাইবাহ। ইবনু হাজার আসকালানী (রাহ) এর পর্যালোচনাঃ _________________________ ইমাম ইবনু হাজা আসকালানী (রাহ) বলেন, এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম ইবনু আবী শাইবাহ এবং ইমাম বাইহাকী হাসান সনদে। অর্থাৎ হাদীসটি সহীহ। রেফারেন্সঃ আদ দিরায়াহ-১/৯৭ হাদীসটির পূর্ণ সনদ উল্লেখ করেছ...

রাসুলগণের সুন্নাত চারটি। লজ্জা করা, আতর ব্যবহার করা, মিসওয়াক করা, এবং বিবাহ করাঃ

নামধারী আহলে হাদীস সর্দার মুজাফফর বিন মুহসিন বলেছেন, নীচের হাদীসটি নাকি দুর্বল!! দেখুন, জাল হাদীসের কবলে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সালাত/ ৩৪ হাদীসঃ হযরত আবু আইয়ূব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রাসুলগণের সুন্নাত চারটি। লজ্জা করা, আতর ব্যবহার করা, মিসওয়াক করা, এবং বিবাহ করা। আরবী এবারতঃ حدثنا سفيان بن وكيع حدثنا حفص بن غياث عن الحجاج عن مكحول عن أبي الشمال عن أبي أيوب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من سنن المرسلين الحياء والتعطر والسواك والنكاح হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম তিরমিযী (রাহ) তার জামি’তে। বর্ণনা শেষে তিনি বলেছেন, হাদিসটি হাসান (সহীহ)। তিনি বলেছেন, حديث حسن غريب রেফারেন্সঃ জামি তিরমিযি- ৩/৩৮২ ফাতহুল গাফফার -৩/১৩৯৬ কেউ কেউ এ হাদীসকে দুর্বল বলার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু মুবারকপুরী তার জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, وقد عرفت أنه مجهول إلا أن يقال : إن الترمذي عرفه ولم يكن عنده مجهولا ، أو يقال إنه حسنه لشواهده অর্থাৎ, আমি এ হাদিসের একজন রাবী সম্পর্কে জানিনা। তিনি মাজহুল (অপরিচিত)। তবে ইমাম তিরমিযি (রাহ) হয়ত তাকে চিনতেন এবং এ রাবী তাঁর নিকট অপরিচিত ছিল...

মুযাফফর বিন মুহসিনঃ জালিয়াতির এক জীবন্ত প্রমাণ

লিখেছেন : কলম সৈনিক ____________________________ লেখাটি কপি / শেয়ার করুন, যাতে ‘জাল হাদীসের কবলে রাসুল (সাঁ) এর সালাত’ নামক বইটি পড়ে যারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন, তাদের নিকট এই বার্তাটি পৌঁছে যায়। প্রথমে যা জেনে নিলে ভাল হয়ঃ ________________ যয়ীফ হাদীস বলা হয় ঐ হাদীসকে যার সনদের মধ্যে হাদিস কবুল হবার শর্তগুলোর মধ্যে কোন একটি শর্ত অনুপস্থিত থাকে। কিন্তু জাল হাদিস বলা হয় ঐ হাদিসকে যার সনদের মধ্যে মিথ্যাবাদী বর্ণনাকারী থাকে। মোট কথা, জাল এবং যয়ীফ হাদীসের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যয়ীফ হাদীসকে জাল হাদিস বলা হয় না, আবার জাল হাদীসকে ও যয়ীফ বা দুর্বল হাদিস বলা হয়না। এ পার্থক্য যে করতে পারেনা, আবার হাদীস নিয়ে লম্বা লম্বা কথা বলে, সে হচ্ছে এ যামানার এক জঘন্য দাজ্জাল যে নাকি মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার টিকাদারী নিয়েছে। মুযাফফর বিন মুহসিনঃ লা-মাযহাবী, নামধারী আহলে হাদিসদের জনপ্রিয় শায়েখ। উনি আমাদের সালাত যে হচ্ছেনা তা প্রমাণ করার জন্য একটি বই লিখেছে। নাম দিয়েছে, ‘জাল হাদীসের কবলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত’। বইটির কভার দেখলে আপনি এ নামটি বাংলাতে এভাবেই দেখবেন। কিন্তু প...

এত বড় জানাযা আর কোন দিন দেখি নিঃ আল্লাহু আকবার

→ শহীদ মমতাজ ক্বাদেরী (রহঃ) এর জানাযায় লক্ষ কোটি নবীপ্রেমিক সুন্নী মুসলিম জনতার জোয়ার উঠেছে। নবীর শানে কুটুক্তি কয়ায় তিনি একজনকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। তার এই ফাসিঁর বিরোদ্ধে পাকিস্তানের সুন্নী মুসলিম জনতার বিক্ষোভ সমাবেশ। ↓ আল্লাহ পাক ওনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।-- আমিন ৩ মিনিটের এই ভিডিওটি দেখুনঃ https://goo.gl/UJbYVA