পোস্টগুলি

জুন, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রোযার জন্য জান্নাতের একটি দরজাঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “জান্নাতে আটটি দরজা, তাতে একটি দরজাকে “রাইয়ান” বলা হয়, তা দিয়ে রোযাদার ব্যতীত কেউ প্রবেশ করবে না”। (বুখারি: ৩০৮৪, মুসলিম: ১১৫৫, তিরমিযি: ৭৬৫) বুখারির বর্ণিত শব্দে হাদিসটি এসেছে এভাবে: “নিশ্চয় জান্নাতে একটি দরজা আছে, যাকে বলা হয় রাইয়ান, কিয়ামতের দিন তা দিয়ে রোযাদার প্রবেশ করবে, তাদের ব্যতীত কেউ সেখান থেকে প্রবেশ করবে না। বলা হবে: রোযাদারগণ কোথায়? ফলে তারা দাঁড়াবে, তাদের ব্যতীত কেউ তা দিয়ে প্রবেশ করবে না, যখন তারা প্রবেশ করবে বন্দ করে দেয়া হবে, অতঃপর কেউ তা দিয়ে কেউ প্রবেশ করবে না”। (বুখারি: ১৭৯৭) তিরমিযির বর্ণিত শব্দ: “জান্নাতে একটি দরজা আছে, যাকে রাইয়ান বলা হয়, তার জন্য রোযাদারদেরকে আহ্বান করা হবে, যে রোযাদারদের অন্তর্ভুক্ত হবে, সে তাতে প্রবেশ করবে, যে তাতে প্রবেশ করবে কখনো পিপাসার্ত হবে না”। (তিরমিযি: ৭৬৫) আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আল্লাহর রাস্তায় যে দু’টি জিনিস খরচ করল, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ থেকে ডাকা হবে: হে আব্দুল্লাহ, এটা কল্যাণ। যে সালাত আদায়ক...

মওলিদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) :-

▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄ ইসলাম নতুন নয়; পুরাতন। মীলাদ উন নাবী (صلى الله عليه و آله وسلم) সম্পর্কে কতিপয় অভিমত : ▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄▄ ইমাম ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি'র দৃষ্টিতে আরবলের বাদশাহ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়্যুবীর ভগ্নিপতি হযরত মুজাফফর রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।  ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাকে সালাফী / ওহাবীরা তাফসীর ও ইতিহাস শাস্ত্রে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করে থাকে। ________________________ প্রকৃতপক্ষে ইবনে কাসীর লিখেন: ↓ অর্থ: “বাদশা হযরত মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন আবু সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দানশীল ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। সাথে সাথে তিনি সম্মানিত বাদশাও ছিলেন। উনার বহু পূন্যময় কাজের আলামত এখনও বিদ্যমান রয়েছে।” গ্রন্থ সূত্র : *_* আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩ তম, খন্ড ১৩৬ পৃষ্ঠা। তিনি আরো লিখেন : ↓ অর্থ: আরবলের বাদশা হযরত মালিক মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রতি বছর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে তিন লক্ষ দিনার ব্যায় করতেন।” গ্রন্থ সূত্র : *_* আল বিদায়া ...

জুম’আর দিন প্রসঙ্গে কিছু সহিহ্ হাদিসঃ

রাসুলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেন, জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই তাকে দেওয়া হয়। আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, একটি সময়। *_* বুখারী শরীফ/৯৩৫। হযরত আবু হুরাইরা(রা) হতে বর্ণিত, রাসূলে কারিম সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ”যে গোসল করে জুমু’আর উদ্দেশ্যে আসে এবং যে পরিমাণ নফল নামায পড়ার তাওফীক হয় তা পড়ে, এরপর ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকে এবং ইমামের সঙ্গে নামায আদায় করে, আল্লাহ তা’আলা তার দশ দিনের (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেন।” *_* সহীহ মুসলিম, ১/২৮৩। জুমুয়ার দিন রসূলে কারিম হাযরাত মুহাম্মদ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মত এর জন্য একটি মহান দিন। এ জুম’আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা তাঁর হাবীব রসূলে কারিম হাযরাত মুহাম্মদ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া আলিহি...

কালের সকল মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকিহগণ মাযহাব এর অনুসারী ছিলেনঃ

এসব নিচের পুস্তকে সংরক্ষিত হয়েছে : ০১. তাবাকাতুল হানাফীয়্যাহ্ ০২. তাবাকাতুল মালিকিয়্যাহ্ ০৩. তাবাকাতুল শাফিয়্যাহ্ ০৪. তাবাকাতুল হানাবিলাহ্ উপরোক্ত নামে কিতাবগুলো জীবনীকোষ হিসেবে পরিচিত। এখানে মৃত্যু সনসহ শাস্ত্রজ্ঞ উলামায়ে ক্বিরামের মাযহাব ভিত্তিক একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেয়া হলো : প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ যাঁরা হানাফী ছিলেন : ০১. ইমাম আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী আল জাসসাস (৩৭০হি.) তাফসীর আহকামুল ক্বুরআ'ন। ০২. নসর ইবনে মুহাম্মাদ (৩৭৩হি.) তাফসীর সমরকন্দী। ০৩. আব্দুল্লাহ্ ইবনে আহমাদ (৭০১হি.) তাফসীর নাসাফী। ০৪. মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুস্তাফা (৯৫২হি.) তাফসীর আবিস সউদ। ০৫. ইসমাইল হাক্বী (১১২৭হি.) তাফসীর রুহুল বয়ান। ০৬. কাজী সানাউল্লা পানিপথী (১২২৫হি.) তাফসীর মাযহারী। ০৭. শিহাবউদ্দীন মাহমুদ আলূসী (১২৭০হি.) তাফসীর রুহুল মাআনী। প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ যাঁরা শাফিয়ী ছিলেন : ০৮. আলী ইবনে মুহাম্মাদ আত তাবারী (৩১০হি.) তাফসীর তাবারী। ০৯. হুসাইন ইবনে মাসউদ আল বাগাবী (৫১৬হি.) তাফসীর বাগাবী। ১০. মুহাম্মাদ ইবনে উমর আর রাযী (৬০৬হি.) তাফসীর কাবীর। ১১. আবদুল্লাহ্ ইবনে বায়যাবী (৬৮৫হি.) তাফসীর বায়যাব...

যে ব্যক্তি আমাকে সপ্নে দেখে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছেঃ (হাদিস এর রেওয়াত সমুহ)

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)  অধ্যায়ঃ ৪৪/ স্বপ্ন  হাদিস নম্বরঃ ৫৭২২ | 5722 | ۵۷۲۲ পরিচ্ছদঃ ১. নবী (ﷺ) এর বানীঃ যে ব্যক্তি আমাকে সপ্নে দেখে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছেঃ ৫৭২২। আবূ রবী সুলায়মান ইবনু দাঊদ আতাকী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখে, সে আমাকে সত্যই দেখেছো কেননা শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) ★ পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)  অধ্যায়ঃ ৪৪/ স্বপ্ন  হাদিস নম্বরঃ ৫৭২৩ | 5723 | ۵۷۲۳ পরিচ্ছদঃ ১. নবী (ﷺ) এর বানীঃ যে ব্যক্তি আমাকে সপ্নে দেখে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছেঃ وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَسَيَرَانِي فِي الْيَقَظَةِ أَوْ لَكَأَنَّمَا رَآن...

আহলে হাদিসগন তারাবীহ নামাজ ৮ রাকাত বলে প্রচার করে অথচ তাদের কিতাবেই ২০ রাকাত তারাবীহ এর প্রমান দেখুনঃ

ছবি