পোস্টগুলি

জুন, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাস্তিকদের নাস্তিক্যবাদ এর জবাবঃ

® → নাস্তিকরা প্রশ্ন করে কোথায় আল্লাহ? আল্লাহ বলেন, আল্লাহকে নিয়ে গবেষণা না করে আল্লাহর সৃষ্টিকে নিয়ে গবেষণা করো। (আল-কুরআন) ®→ কারণ তাকে নিয়ে তোমার মত ক্ষুদ্র সৃষ্টি কি গব...

বিখ্যাত মনীষীগণের নবীপ্রেমের দৃষ্টান্তঃ

কেউ রাসূলের আনুগত্য করলে সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করে  — সূরা নিসা, আয়াত-৮০ অতএব রাসূল (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে আল্লাহর প্রতিই সম্মান প্রদর্শন করা হয়।  পৃথিবীর সৎ চরিত্রবান আল্লাহ বিশ্বাসী ত্যাগী নির্লোভ ভালো লোকদের সম্মান করার জন্য আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ বিপ্লবী সুফি নেতা মওলানা ভাসানী হুজুর (রহ.) তার ভক্ত-মুরিদদের নির্দেশ দিয়ে গেছেন। সমগ্র সৃষ্টি জগতের ওপর রহমত বর্ষণকারী ও মানব জাতির কল্যাণ এবং মুক্তিকামী আল্লাহর প্রেরিত সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি তার আধ্যাত্মিক অনুসারীদের সদাসর্বদা নিঃস্বার্থ ত্যাগ, ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্যও তিনি নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।  ঈদে মিলাদুন্নবীতে মওলানা ভাসানী হুজুর (রহ.) তার ভক্ত-অনুসারীদের নিয়ে নিজেই মিলাদ পাঠ করতেন। আমরা যারা তার সঙ্গে ছিলাম, সবাই মিলাদ মাহফিলে শরিক হতাম। নবী (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য মিলাদ মাহফিলে হুজুর ভাসানী কিয়াম করতেন। আমরাও তার সঙ্গে কিয়াম করতাম। কিয়াম অর্থ আদব বা সম্মান রক্ষার্থে দাঁড়ানো। এ আদব রক্ষা করা ইবাদতের অংশ প্রেমিকদের জন্য। হুজুর ভাসানী বলতেন, নব...

৭৩ দল সম্পর্কে বর্নিত হাদিসঃ সঠিক কারা ভ্রান্ত কারা? (পর্ব ১)

Written by (Masum Billah Sunny) দ্বীনকে খন্ড-বিখন্ড না করার আদেশঃ নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা`আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে। (The Cattle (Al-Anàam)/159) যারা তাদের ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত। (The Romans (Ar-Rüm)/32) অতঃপর তাদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন দল মতভেদ সৃষ্টি করল। সুতরাং যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক দিবসের আযাবের দুর্ভোগ (Gold Adornments (Az-Zukhruf)/65) আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যা...

৭৩ দল সম্পর্কে বর্নিত হাদিসঃ ভ্রান্তদল গুলোর ভবিষ্যৎবানী (পর্ব ২)

মিলিয়ে নিন এই  খারিজী/ ওহাবী/সালাফীদের নিয়ে ভবিষ্যৎবানী  আর নিজে নিজে তাদের থেকে সতর্ক হয়ে যান  :- written by  (MASUM BILLAH SUNNY) ★ খারিজী : ইসলামের  সর্বপ্রথম ফিত্না বাজ দলের নাম। তাদেরই উত্তরসূরী এখনও বিদ্যমান। তাদের থেকেই অধিকাংশ ভ্রান্ত দলগুলোর শাখা-প্রশাখা বের হয়েছে । ★ ওহাবীদের সুত্রপাত হয় "আব্দুল ওহাব নজদী" থেকে সে নজদ (পুর্বাঞ্চল) থেকে আবির্ভুত ইসলামের এক জঘন্যতম ফিত্না। আর সেই ওহাবীদের মধ্যে আব্দুল ওহাব নজদী আর তার আকিদা অন্তরের মধ্যে একেবারে গেথে যায়। তার সেই বাতিল সিলসিলার নামই ohabism.  সেই দলগুলো  ( বাংলাদেশেঃ হেফাজত/চরমুনাই/ জামাত/শিবির/তাবলিগ/আহলে হাদিস) ভারতে- (দেওবন্দী)  নানান নামে নানান রুপে বর্তমানে প্রচলিত আছে !!  Lider:  Abdul Ohab Najdi, Asraf Ali thanvi, Rasid Ahammad Ganggohi,Ismail dehlovi,Shaikh AL ghumari, Shaikh bin Baz, Abul Ala mawdu...

কেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতই একমাত্র সঠিক দল?

® অসংখ্য সহিহ হাদিসে এসেছে, "নিশ্চয় বনী ইসরাঈল ছিল ৭২ দলে বিভক্ত।   আর আমার উম্মত হবে ৭৩ দলে বিভক্ত।  ১টি দল ব্যতীত এই সব দলই জাহান্নামে যাবে। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন-সেই দলটি কারা?  নবীজী সাঃ বললেন-যারা আমার ও আমার সাহাবাদের মত ও পথ অনুসরণ করবে। Note:  ইমান (আকিদা) ও আমলগত দিক থেকে -  → রাসুলের অনুসরণের নাম ""সুন্নাত""" → আর সাহাবাগন-তাবেঈ-তাবে তাবেঈগনের অনুসরণ মানে """ঐক্যবদ্ধ/জামায়াত""" অর্থাৎ উল্লেখিত শব্দগুলোর বিশ্লেষণ হল (সুন্নাত ওয়াল জামাত) [explained  by  Masum  Billah Sunny] Reference : ★ তিরমিযিঃ সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৪১,  ★ তাবারানীঃ আল মু’জামুল কাবীর, হাদীস নং-৭৬৫৯,  ★ তাবারানীঃ আল মু’জামুল আওসাত, হাদীস নং-৪৮৮৯, ★ কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল, হাদীস নং-১০৬০। ® রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, (আমার) এই উম্মাহ পথভ্রষ্টতা (বা গোমরাহীর) উপর কখনও একত্রিত হবে না (অর্থাৎ ভ্রান্তির উপর এই জামায়াত ঐক্যমত পোষন করবে না) এবং আল্লাহর সাহায্য রয়েছে সেই জামায়াতের সাথে। (অনুবাদ- ...

খারিজীদের ভ্রান্ত আকিদাসমুহঃ

খারিজীদের ভ্রান্ত আকীদা ও মতবাদসমূহঃ ১) যারা মুসলমান হওয়ার দাবিদার হয়ে অন্য মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং এহেন পরিস্থিতিতে যুদ্ধরত হতে বের হয়ে না আসে তারা কাফির । (নাউজুবিল্লাহ) ২) খারিজীরা তাদের ধারনায় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী । তাদের মতে, খলীফাকে অবশ্যই সমগ্র মুসলিম কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে । কোন বিশেষ শ্রেনী-গোত্র কিংবা সম্প্রদায়ের মধ্যে খিলাফত সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোনে যে কোন মুসলমান এ পদে অধিষ্ঠিত হতে পারবে । (নাউজুবিল্লাহ) ৩) তারা হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত উমার (রাঃ) কে ইসলামের বৈধ খলীফা বলে মনে করে এবং অন্যান্য খলীফাকে অবৈধ বলে ঘোষনা করে । (নাউজুবিল্লাহ) ৪) কবীরা গুনাহ খারিজীদের কাছে কুফরীর শামিল । কোন মুসলমান নামায, রোযা ও অন্যান্য ফরয কাজসমূহ পালন না করলে কিংবা কবীরা গুনাহে লিপ্ত হলে সে কাফির হয়ে যায় । (নাউজুবিল্লাহ) ৫) তাদের মতে, যে মুসলমান কবীরা গুনাহ করে এবং তওবা না করে মারা যায় সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী । (নাউজুবিল্লাহ) ৬) খারিজীদের মতে, যারা তাদের আকীদার সঙ্গে একমত না, তারা ধর্মদ্রোহী তথা কাফির । এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অপরিহার্য । (নাউজুবিল্...

খারিজী ফিত্নার উৎস ও ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচনাঃ

খারিজীরা ইসলামের সর্বপ্রথম বিপথগামী সম্প্রদায় । আকীদা, আমল ও খিলাফত সম্পর্কে বিতর্ক সৃষ্টি করে তারা নিজেদেরকে মুসলিম উম্মাহ্‌ থেকে আলাদা করে ফেলে । রাজনীতির ক্ষেত্রে তারা পুনঃ পুনঃ বিদ্রোহ করে সাময়িকভাবে খিলাফতে রাশিদার শেষ দুই বছর এবং উমাইয়া আমলে মুসলিম রাষ্ট্রের পূর্বাংশে অশান্তি সৃষ্টি করে; হযরত আলী (রাঃ) এর বিরুদ্ধে আব্বাসীগণকে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল। 'আল-মিলাল ওয়ান নাহল' গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছেঃ খারিজী ঐ সম্প্রদায়ের লোকদের বলা হয় যারা এমন নিয়মতান্ত্রিক ইমামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা করে তাঁর আনুগত্য থেকে বের হয়ে যায়; যার ইমামতের আনুগত্যের প্রতি মুসলিম জনগন একমত পোষণ করেছেন । চাই এ বিদ্রোহ সাহাবায়ে কিরামের যামানার আইম্মায়ে রাশিদীনের বিরুদ্ধে হোক কিম্বা তাবিঈনের সময়কার মুসলিম জনগন স্বীকৃত ইমামগণের বিরুদ্ধে হোক অথবা পরবর্তী যুগের প্রতিষ্ঠিত ইমামগণের বিরুদ্ধে হোক, সকলেই খারিজীদের অন্তর্ভূক্ত । — ইমাম শাহরাস্তনী (রহঃ) [1808-1864]  : আল-মিলাল ওয়ান নাহল, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ১৪৪ download  fu ll  kitab:  https://catalog.hathitrust.org/Record/006551349 ★...

সেহরী না খেলে কি রোজা ভেঙে যায়?

ধন্যবাদ খুবই দরকারি একটি প্রশ্ন। সেহেরী খাওয়া হচ্ছে সুন্নত আর রোজা  পালন করা ফরজ্‌।কোন একটি সুন্নতের কারনে কোন ফরজ ইবাদত  বাদ দেয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত  করা যেতে পারে না। আর ...

হাজারো কষ্ট আর কুরবানীর মধ্য দিয়ে ইসলাম জীবিত হয়েছিল আজ আমাদের একি অবস্থা?

আপনি কি খুব কষ্টে আছেন? ইবাদত করতে খুব কষ্ট হয়? নিজের রক্ত ঝরিয়ে ইসলাম পেতে হয় নি তো তাই অল্প তেই ধৈর্যহারা। তোমার কষ্ট বেশি নয় বন্ধু!  বিসমিল্লাহ। আলহা’মদুলিল্লাহ। ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ’লা রাসুলিল্লাহ।  তোমার থেকে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছেন আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম। সমস্ত নবী ও রাসুলদের সর্দার, বিশ্বজগতের জন্যে রহমত স্বরূপ, এই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ, আল্লাহর নিকট সবচাইতে প্রিয়তম বান্দা. . .এতো বড় মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও কত কষ্ট পেয়েছেন তিনি, তাহলে তুমি কে? তুমি তাঁর কথা স্বরণ করে সান্ত্বনা নাও। (★) মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ মসিবতে (অর্থাৎ দুঃখ-কষ্ট কিংবা বিপদ-আপদে) পড়ে, তখন সে যেন আমার জীবনের মসীবতের কথা স্বরণ করে (সান্ত্বনা নেয়)। কারণ আমার জীবনের মসীবত তোমাদের সবার মসিবতের চাইতে বড়।” [ইবনে সা’দ, সহীহুল জামিঃ ৩৪৭] .  (★) হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ) এর চাইতে অধিক রোগ যাতনা ভোগকারী অন্য কাউকে দেখিনি। (হাদিস ৫৫০) (★) মহানবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্মে...

কুরআন তেলাওয়াত শুনে আসমান থেকে ফেরেশতা নেমে আসলঃ-

হযরত আবু সাঈদ খুদরী ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত। উসাইদ ইবনে হুদাইর ( রাঃ ) বলেন যে, তিনি একরাতে নিজের ঘরে বসে নামাজের মধ্যে সূরা বাকারা পড়ছিলেন। তাঁর ঘোড়াটি নিকটেই বাধা ছিল। হঠাৎ ঘোড়াটি লম্ফ- ঝম্ফ শুরু করে দিলো। তিনি তখন তেলাওয়াত বন্ধ করলেন ঘোড়াটি শান্ত হয়ে গেলো। তিনি যখন পুনরায় তেলাওয়াত শুরু করলেন ঘোড়াটি আবার লাফ-ঝাপ শুরু করে দিলো। অতঃপর তিনি পাঠ বন্ধ করলেন। ঘোড়াটিও শান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো। তিনি আবার কুরআন পড়া শুরু করলে ঘোড়াটিও দৌড়ঝাঁপ করতে লাগলো। তিনি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে নিলেন। কারন তাঁর ছেলে ইয়াহিয়া ঘোড়ার নিকটেই ছিল। তাঁর ভয় হল ঘোড়া হয়তো লাফালাফি করে ছেলেকে আহত করতে পারে। তিনি ছেলেকে এর কাছ থেকে সরিয়ে দিয়ে আসমানের দিকে মাথা তুললেন। তিনি ছাতার মত একটি জিনিস দেখতে পেলেন এবং তাঁর মধ্যে আলোকবর্তিকার মতো একটি জিনিস দেখলেন। সকালবেলা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন- হে ইবনে হুদাইর, তুমি পড়তে থাকলে না কেন? হে ইবনে হুদাইর, তুমি পড়তে থাকলে না কেন? রাবী বলেন- আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমার ভয় হল ঘোড়াটি না আব...

মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে কুরআন তেলাওয়াতকারীর পার্থক্যঃ

★ হযরত আবু মুসা আশয়ারী ( রঃ ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- যে মুমিন কুরআন পাঠ করে সে কমলা লেবুর সাথে তুলনীয়। এর ঘ্রাণও উত্তম এবং স্বাদও উত্তম। আর যে মুমিন কুরআন পাঠ করে না সে খেজুরের সাথে তুলনীয়। এর কোন ঘ্রান নেই কিন্তু তা সুমিষ্ট। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে না সে মাকাল ফল তুল্য। এর কোন ঘ্রাণও নেই এবং স্বাদও অত্যন্ত তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পাঠ করে সে রাইহান ফলের সাথে তুলনীয়। এর ঘ্রান অত্যন্ত সুমিষ্ট কিন্তু স্বাদ অত্যন্ত তিক্ত। ———–( বুখারী ও মুসলিম ) ★ অপর বর্ণনায় আছে, “যে মুমিন বাক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তদানুযায়ী কাজ করে সে কমলা লেবু সদৃশ। আর যে মুমিন ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে না কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করে সে খেজুর তুল্য।”

বিপদ-আপদ ও রোগ-ব্যাধি পাপ মোচন করেঃ

হাদীসে বলা হয়েছে , আবুল ইয়ামান হাকাম ইব্ন নাফি (র)……..নবী (সাঃ) এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমান ব্যক্তির উপর যে সকল বিপদ-আপদ আপতিত হয় এর দ্বারা আল্লাহ্ তার পাপ মোচন করে দেন। এমনকি যে কাঁটা তার শরীরে বিদ্ধ হয় এর দ্বারাও।(সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৪৫) আবূ সাঈদ খুদরী ও আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে সকল যাতনা, রোগ ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকন্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আপতিত হয়, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে বিদ্ধ হয়, এ সবের দ্বারা আল্লাহ্ তার গুনাওসমূহ ক্ষমা করে দেন। (সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৭০ :: হাদিস ৫৪৬) কা’ব (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ মু’মিন ব্যক্তির উদাহরণ হল সে শস্যক্ষেত্রের নরম চারা গাছের ন্যায়, যাকে বাতাস একবার কাত করে ফেলে, আরেক বার সোজা করে দেয়। আর মুনাফিকের উদাহরণ, সে যেন ভূমির উপর কঠিনভাবে স্থাপিত বৃক্ষ, যাকে কোন ক্রমেই নোয়ানো যায় না। অবশেষে এক ঝটকায় মূলসহ তা উৎপাটিত হয়ে যায়। যাকারিয়্যা তাঁর পিতা কা’ব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি নবী (সাঃ) থেকে...

নুর সম্পর্কে 50+ pdf ফাইল ডাউনলোড করুনঃ

ছবি
এখান থেকে  Download করুনঃ- পর্ব ১ : www.goo.gl/mGGiai পর্ব ২ : www.goo.gl/gBVshi এখান থেকে পোস্ট গুলো পড়ুনঃ- http://sunni-encyclopedia.blogspot.com/2015/09/blog-post_37.html?m=1

"আমিও তোমাদের মত মানুষ" এই আয়াত সমুহের এর ব্যাখ্যা :

Lecture::Comparable creation(মিছাল মাখলুক) VS uncomparable creation(বেমিছাল মাখলুক) & Who say Rasul صلى الله عليه و آله وسلم is like among us? By (Masum Billah Sunny) বিশেষ সতর্কতা ঃঃঃ each line is linked with next line,each step is linked with next step so if u avoid any line u may missunderstand the concept. এলো পাথারি লাইন ছারলে মিলাতে গিয়ে ভুল করার আশংকা রয়েছে। 'say: i am a man (bashar) like you(bt u doesn't like me), it is revealed (WAHI) to me that your god is One God'.(41:6) "Say! I am a human being like you," similar recitation:: [K'af 18:110] [Mominun 33-34] [Hamim sijdah 6] [Ibrahim 11] [3:144] ---------------------EXPLAINATION of these ayahs------------------ ------------------আয়াত গোলোর ব্যখ্যা ------------------------ যুক্তি সাপেক্ষেঃঃ হযরত হাওয়া (আঃ সাঃ) আদম সন্তান নন এবং কোন বীর্য দ্বারা সৃষ্টি নয়। তিনি হযরত আদম(আঃ সাঃ) এর বাম পাজরের হাড় দ্বারা সৃষ্টি। (দেখুন তাফসীরে জালালাইন শরীফ) কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন। হযরত ঈছা ( আঃ সাঃ)কোন বীর্য ...